
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে চোরাচালান-অনুপ্রবেশ ও মাদকপাচার বন্ধে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ নিয়েছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান, বিজিবিএম, বিএএম, এনডিসি, পিএসসি।
তিনি বুধ ও বৃহস্পতিবার দু’দিনে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)’র কয়েকটি সীমান্ত চৌকি পরিদর্শন কালে এ সব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বিজিবি জোয়ানরা জাতীর গর্ব। তারা সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। সীমান্ত অপরাধ দমনে তাদের সজাগ থাকতে হবে সর্বোচ্চ। এ বিষয়ে গোয়েন্দা তৎপরতার পাশাপাশি আভিযানিক কার্যক্রমে আরো গতিশীলতা আনয়নে কঠোর হতে হবে।
তিনি মিয়ানমার সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম বিওপিসহ কয়েকটি সীমান্ত চৌকি পরিদর্শন কালে এ সব কথা বলেন।
পাশাপাশি তিনি সীমান্তের কয়েকটি স্থানে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্রও বিতরণ করেছেন এ সময়।
বিজিবি সূত্র আরো জানান,বুধবার সকালে বিজিবি মহাপরিচালক বুধবার ৩৪ বিজিবি অধিনস্থ মিয়ানমার সীমান্তের ঘুমধুম বিওপি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিওপির প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা পরিদর্শনের পাশাপাশি সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও মাদক পাচার রোধসহ যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যদেরকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন।
বিজিবি মহাপরিচালক বৃহস্পতিবার ( ১৮ জানুয়ারী)+ টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ সেন্টমার্টিন বিওপি এবং সার্বিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সৈনিকদের সাথে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি আভিযানিক কার্যক্রমের বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরিদর্শন শেষে বিজিবি মহাপরিচালক সেন্টমার্টিন দ্বীপে বসবাসরত ২০০ জন শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।
মহাপরিচালকের পরিদর্শনকালীন বিজিবি সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, কক্সবাজার রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার, রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নের অধিনায়কসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন
বিজিবি মহাপরিচালক দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো: শরিফুল ইসলাম।
তিনি আরো জানান,২ দিনের সফরে
তিনি ককসবাজারে পৌঁছে মিয়ানমার সীসান্তর্বতী বেশ কয়েকটি চৌকি সহ গুরুত্বপুর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন বিজিবি মহাপরিচালক।