পাঁচুরিয়া ইউনিয়ন মধ্যে মুকুন্দিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ

9

ফরিদপুর সংবাদদাতা।

নিয়োগ বানিজ্য স্কুলের অর্থ আত্মসাৎ শিলোনামে সোমবার ৭ নভেম্বর স্থানীয় দৈনিক প্রতিদিনের খবরের প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজবাড়ি সদর থানার অর্ন্তগত পাঁচুরিয়া ইউনিয়ন মধ্যে মুকুন্দিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুস সাত্তার।তিনি বলেন, প্রকাশিত সংবাদে তাকে জড়িয়ে এবং তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা মিথ্যা ও বানোয়াট। বলা হয়, তার সম্মানহানি করার লক্ষ্যে এ ধরনের মিথ্যা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

এর ব্যাখ্যা হিসাবে তিনি বলেন,গত ০২/১০/২০২২ তারিখে জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজ ও স্থানীয় দৈনিক জনতার আলাদ পত্রিকায় স্কুলে ৪র্থ শ্রেনী কর্মচারীর ৩ পদের জন্য ৩জন কে নিয়োগ দেয়া হবে বলে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ ছাড়া কোন আর কোন কার্যক্রম করা হয়নি শুধু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।তাহলে এখানে নিয়োগ বাণিজ্য হলো কি ভাবে।

আমি সহ স্কুল কমিটির সভাপতি মোঃ আঃবারেক মল্লিক,শিক্ষক প্রতিনিধি অনিম কুমার চক্রবতী,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ইকবাল হোসেন,জেলা শিক্ষা অফিসার(মাধ্যমিক) মোঃহাবিবুর রহমান,অভিভাবক প্রতিনিধি,স্বপন কুমার রায়,শিক্ষক প্রতিনিধি-মহিলা,বুলবুল নাহার সহ মোট ৮জন কে বিবাধী করে গত ২৪/১০/২০২২ ইং তারিখে স্কুলের অফিস সহায়ক ফেরদৌস শেখ নিজের চাকুরীর পদ হারাবার ভয়ে নিজে বাদী হয়ে রাজবাড়ি ২২ মোকাম বিজ্ঞ সদর সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তাঁর কোন ভিক্তি নেই।

আদালত তদন্ত করে যে রায় দিবেন সেটায় কার্যকর করা হবে।তিনি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, স্কুলের অর্থ আত্মসাৎদের যে বিষয়টি তুলে ধরা হয়ে সেই বিষয়ে বলতে চাই ১৯৭৩ সনে এই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়,০১/০১/১৯৯০ সনে স্কুলে স্বীকৃতি পাই, ১৯৮৬ সনে আমি প্রধান শিক্ষের দায়িত্ব নিয়েতিল তিল করে এই স্কুল আমি গড়ে তুলেছি,স্কুল ফান্ডে যে টাকা বরাদ্দ থাকতো সেটা দিয়ে স্কুল ভালমত চলতোনা বরং নিজেদের পকেট থেকে খরচ করতে হতো অর্থ আত্মসাৎ করবো কি ভাবে।

একটি কূ-চক্রী মহল বিভিন্ন ভাবে আমার বিরুদ্বে ষড়যন্ত্র করে চলছে।স্কুলের মেহগনি গাছ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকার গাছ বিক্রি করা হয়েছে , তার পরিপ্রেক্ষিতে আমি বলতে চাই মোট ২০টি মেহেগনি গাছ এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা বিক্রয় করা হয়,সেই টাকা দিয়ে সাবেক স্কুলের কমিটির সভাপতি,ও সাবেক চেয়ারম্যান কাজী আলমগীরের সহায়তায় স্কুলের পাশে দোকান মেরামতের কাজে ব্যবহারিত হয়।এখানে অর্থ আত্মাসাৎদের কোন ধরনের সুযোগ নেই।

বরং স্কুলের সার্থে ফান্ডে কোন টাকা না থাকলে ও নিজের চেষ্টা দিয়ে অর্থে দিয়ে দিনের পর দিন কাজ করে চলছি যেমন স্কুলের ৯শ্রেনী অনুমতির সময় আমি ৭০ হাজার টাকা নিজের পকেট থেকে ব্যয় করে অনুমতি নিয়ে এনেছি।

তখন স্কুল ফান্ডে কোন টাকা ছিলনা। এই স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষিকা যারা রয়েছে তাঁরা সবাই নিজ নিজ যোগ্যতায়।নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষকতা করেন। এখানে কোন ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই।আমি অনেক টাকার মালিকের কথা লেখা হয়েছে, খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন,তিনটি ব্যাংক ও একটি এনজিও থেকে মোট ৫২লক্ষ টাকা লোন নিয়ে আমি ব্যবসা বাণিজ্য করি।

বেতন ও ব্যবসা থেকে যাহা পাই তাই দিয়ে ছেলে মেয়েদের মানুষ করার চেষ্টা করছি।আমার বিরুদ্বে যারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন তাঁরা মনে করেন প্রধান শিক্ষক কে যদি স্কুল থেকে কোন রকম সরাতে পারি তাহলে তাঁদের পথ পরিষ্কার হয়ে যাবে।

কু-চক্রিমহল লুটেপুটে খেতে পারবে। যার ফলে আমার বিরুদ্বে নানান ভাবে মিথ্যা বানোয়াট কথা লটানো হচ্ছে, আমি এই ষড়যন্ত্রের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।