
রাজধানীর রমনা থানার সেগুনবাগিচা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ে গাড়িতে স্টিকার লাগিয়ে মাদক সরবরাহের অভিযোগে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি)।
গ্রেফতাকৃতরা হলো-মো.এরশাদ খাঁন (৪০),মো.মনির হোসেন (৩৭),মো.মিন্টু মিয়া (৫২)।
এ সময় সাংবাদিক স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকার থেকে চার হাজার ৪০০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গতকাল রবিবার সেগুনবাগিচা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার ( ১৬ জানুয়ারি )বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের (ডিএনসি) উত্তর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান।
তিনি বলেন,গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর জানতে পারে কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে গাড়িতে পত্রিকার ট্যাগ (প্রেস ট্যাগ) লাগিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক সরবরাহ করে আসছিল। তারা বিভিন্ন কৌশলে এই ব্যবসা চালিয়ে আসছিলো।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে বেশ কিছুদিন ধরে মাদক কারবারিদের কার্যক্রম ও গতিবিধি মনিটরিং করা হচ্ছিল। সর্বশেষ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে তথ্য আসে যে, তারা একটি ইয়াবার চালান কক্সবাজার থেকে ঢাকায় এনে দুই বা তিনটি স্থানে সরবরাহ করবে। তথ্য অনুযায়ী রমনা সার্কেলের সমন্বয়ে গঠিত টিম গত রবিবার রমনা থানার সেগুনবাগিচা এলাকায় পত্রিকার ট্যাগ লাগানো ঢাকা মেট্রো-গ-২৫-৮৪৭২ নম্বরের একটি প্রাইভেটকারকে গতিরোধ করা হয়। গাড়িতে থাকা চালকসহ তিনজকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দেহ ও গাড়ি তল্লাসী চালিয়ে চার হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
সাংবাদিক পরিচয়ে মাদক সরবরাহের বিষয় মেহেদী হাসান বলেন,আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে ডিএনসিকে জানিয়েছে তারা মাদক চোরাচালানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে সাংবাদিক পরিচয় দিতেন। মাদক পরিবহনে পত্রিকার ট্যাগ লাগানো ঢাকা মেট্রো-গ-২৫-৮৪৭২ নম্বরের প্রাইভেটকাটি ব্যবহার করতেন৷ চক্রের হোতাসহ বেশ কয়েকজন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে,যা নিয়ে আমরা অধিকতর অনুসন্ধান করব। এই চক্রের অন্যান্য হোতাদেরও নজরদারিতে রাখা হয়েছে, জড়িতদের বিরুদ্ধে যে কোন সময় অভিযান পরিচালনা করা হবে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান ডিএনসির এ কর্মকর্তা।
ডিআই/এসকে