মোংলা পেট্রোম্যাক্স এলপিজি কোম্পানির কাছে পাওনা ইস্যুতে নৌযান শ্রমিকদের অসন্তোষ

18

বিশেষ প্রতিনিধি :বাগেরহাটবিদেশী কোম্পানির কাছে মালিকানা হস্তান্তর হয়ে যাওয়া ইয়ুথ গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান মোংলা পেট্রোম্যাক্স এলপিজি কোম্পানির কাছে পাওনা সার্ভিস বেনিফিট ইস্যুতে নৌযান শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কোম্পানিটির দুটি এম’টি জাহাজে কর্মরত ৩২ নৌযান শ্রমিকের পাওনা প্রায় ৫৪ লাখ টাকা আদায় নিয়ে সরব হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন। দ্রুত এ বিষয় সুরহ না হলে কঠোর আন্দোলন সংগ্রামের হুশিয়ারি দিয়েছেন নৌযান শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মোংলায় জাহাজী শ্রমিক সংগঠনের আঞ্চলিক কার্যালয় আয়োজিত এক সংবাদ সংম্মেলনে এই হুশিয়ার দেন তারা। বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের যৌথ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সৈয়দ শাহাদাত হোসেন। বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা এ শ্রমিক নেতা লিখিত বক্তব্যে বলেন, মোংলা শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত পেট্রোম্যাক্স এলপিজি কোম্পানির দুটি জাহাজে বছরের পর বছর মাস্টার ও নাবিক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন ৩২ জন নৌযান শ্রমিক। কিন্ত এ সকল শ্রমিকদের না জানিয়ে কর্তৃপক্ষ নেদারল্যান্ড ভিত্তিক বহুজাতিক কোম্পানি এসএইচভি এর্নাজি বাংলাদেশ নামক প্রতিষ্ঠানের কাছে গত ২২ জুন মালিকানা বিক্রি ও হস্ত্মান্ত্মর করে। সেই সঙ্গে -পেট্রাম্যাক্স এলপিজির জাহাজ এম,টি -পেট্রাম্যাক্স-৫ ও এম,টি -পেট্রাম্যাক্স-৭ মালিকানা চলে যায় বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানির হাতে। এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, অনেকটা লুকেচুরি করে মালিকানা হস্তন্তর হলেও জাহাজ দুটিতে কর্মরত নৌযান শ্রমিকদের পাওনাদি বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো হয়রানী করা হচ্ছে। এতে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন অন্ত্মভুক্ত সংগঠন ও শ্রমিকদের মধ্যে অসন্ত্মোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় শ্রমিকদের পাওনাদি প্রায় ৫৪ লাখ টাকা দ্রুত বুঝিয়ে দেয়ার আহবান জানান শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। অন্যথায় দেশব্যাপী নৌযান শ্রমিক কর্মবিরতি সহ কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার কথা জানান তারা। এ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের আঞ্চলিক সহ-সাধারণ সম্পাদক বাহারম্নল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, মাইনুল হোসেন মিন্টু ও মামুন হাওলাদার বাদশ ও বাবু উপস্থিত ছিলেন। এদিকে এ বিষয় জানতে চাইলে মোংলা পেট্রোম্যাক্স এলপিজির জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আসাদুল্লাহ বলেন, যথাযথ কর্তৃপক্ষ নৌযান শ্রমিকদের পাওনাদি নিয়ে আলোচনা করছে। তার হাতে করার কিছুই নেই।