ভূরুঙ্গামারীতে প্রশ্ন ফাঁসে জরিত আরও ৩ জন আটক

38

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এসসি প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় গত মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমানসহ তিন শিক্ষককে গ্রেফতার করে এবং গণিত, কৃষি , পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্র উদ্ধার করা হয়। পরে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড ওই ৪টি বিষয়ে পরীক্ষা স্থগীত ঘোষণা করেন।

এর আগের ৩ জন আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন থানা পুলিশ।পরে গতকাল বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ওই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে আরও ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে।পরে জিজ্ঞেসাবাদে তারা জড়িত থাকার কারনে পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার ২২ সেপ্টেম্বর জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয় থানা পুলিশ। এই তিনজন হলেন ওই স্কুলের কৃষি শিক্ষক  হামিদুল  ইসলাম, বাংলা শিক্ষক সোহেল আল মামুন এবং ওই স্কুলের পিয়ন সুজন মিয়া।

পরে ভুরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমান প্রশ্ন ফার্সের অভিযোগে আটক হওয়ায় তাকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব দেয় ওই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান পলাশকে।

প্রশ্ন ফার্সের ঘটনায় মহাপরিচালকের পক্ষে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা  শামছুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিদ্যালয়ের প্রশ্ন ফার্সের ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন।পরে নতুন কেন্দ্র সচিব নব্য দায়িত্ব পাওয়া সহকারী প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান সহ অন্যান্য শিক্ষকদের জবানবন্দী রেকর্ড করেন।

এদিকে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক মোঃ ফারাজ উদ্দিন তালুকদারকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত টিম করে দায়িত্ব দেন। তদন্তটিমের সদস্যরা হলেন, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উমা) প্রফেসর হারুন অর রশিদ মন্ডল এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক আকতারুজ্জামান। 

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামছুল ইসলাম  বলেন প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সাথে জড়িত কেউ রেহাই পাবেনা। জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।