
চুয়াডাঙ্গা জীবননগরে তে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশা আর শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। গতকাল সকাল ৭টায় জীবননগরে তে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯,৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।হিমালয়ের পাদদেশের কাছাকাছি জেলা হওয়ায় প্রতিবছর দক্ষিণ পশ্চিমান্চলে এই জেলায় তীব্র শীত হয়ে থাকে ।
এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। শীতের মৌসুম শুরুর আগে থেকেই ঠান্ডায় কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা জেলার ৪টি উপজেলা।অনেকদিন ধরেই হিমেল হাওয়ার কারণে সন্ধ্যার আগে থেকেই প্রচন্ড ঠান্ডা পড়ছে। রাত শুরু হতে না হতেই কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ। রাতে বৃষ্টির ফোঁটার মতো টপটপ করে কুয়াশা ঝরছে।গ্রাম অঞ্চলে মাঝদুপুরে কুয়াশার পরিমাণ কম থাকলেও উত্তর থেকে বয়ে আসা হিমেল হওয়ার দাপটে ঠান্ডা তেমনটা কমছে না। ব্যস্ততম সড়কগুলোতে জনসাধারণের চলাচল কমে গেছে।
মহাসড়কে চলাচল করা গাড়িগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলতে দেখা গেছে । ঘনকুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে গাড়িগুলো হেডলাইট দিয়ে চলছে। কেউ কেউ জীবিকার তাগিদে মাঠেঘাটে কাজ করতে গেলেও বেশি সময় থাকতে পারছেন না।
এতে জ্বালানি খরচ বেশি হচ্ছে। বাজারে লোকজনের সমাগম কমে গেছে শীতবস্ত্র মিললেও দোকান গুলিতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শীতবস্ত্র।এ অবস্থায় হাড় কাঁপানো শীতে কষ্ট পাচ্ছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। কাজে যোগ দিতে না পেরে উপার্জনহীন হয়ে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের অনেকের নেই শীতের গরম কাপড়। শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে শ্রমজীবী নারী, শিশু ও বৃদ্ধারা।