
৮০ বছর বয়সী সুরতি বেগমের সন্তান থাকলেও খোঁজখবর নেন না,তাঁর জীবন চলার শেষ সময়ে আশ্রয় হয়েছে প্রধানমন্ত্রী উপহারের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে। সুরতি বেগম তীব্র শীতে একটি কম্বলের আশায় কয়েকজনের কাছে ঘুরে পাননি কম্বল। তবে আজ রোববার বিকেলে গণমাধ্যমকর্মীর কাছে সুরতি বেগমের অসহায়ত্বের কথা শুনে (ইউএনও) কম্বল দিয়েছেন।
আজ রোববার (১৪ জানুয়ারী) বিকেলে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের পূর্ব শ্যামপুর এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘরে বসবাসকারীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একেএম লুৎফর রহমান।
খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়,’শ্যামপুর ইউনিয়নের পূর্ব শ্যামপুর এলাকার প্রধানমন্ত্রীর উপহারের আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪০ ঘর রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৩০ জন আশ্রয়ের ঘরে বসবাস করেন। বাকি ঘরগুলো লোকজন থাকেন না। আশ্রম প্রকল্পের ঘরে থাকা সবাই নিম্ন আয়ের মানুষ ও অতি দরিদ্র।
আজ দুপুর ৩ টা দিকে আশ্রয়ন প্রকল্পে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে সুরতি বেগমের কথা হয় এসময় তিনি বলেন,’এই শীতে খুব কষ্টে আছি,ঘরের মধ্যে নিচেই থাকি, কম্বলের জন্য কয়েক জায়গায় গেছিলাম কিন্তু পাইনি। ইউএনও কাছে গিয়েছিলাম ইউএনও কে পাইনি, তখন নেতা কইছে মঙ্গলবারে যাইতে। আমার একটা ছেলে আছে তাঁর মাথার সমস্যা,খোঁজখবর নেই না,এক বছর ধরে এইখানে থাকি।এখানে আসার পরে কিছু পাইনি।
সুরতি বেগমের মতো আরো কয়েকজন তীব্র শীতে তাঁদের অসহায়ত্বের কথা বলেন।
গণমাধ্যম কর্মীরা আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে বসবাসকারী শীতার্ত ও অসহায় মানুষের নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি তাৎক্ষণিক কম্বল নিয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পে বিতরণ করেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একেএম লুৎফর রহমান বলেন,’আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে বসবাসকারীদের মাঝে কম্বল বিতরণ হয়নি বিষয়টি জানা ছিল না।এ বিষয়টি জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে শীতার্ত ও অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।