
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে এ মৌসুমে এ উপজেলায় ৫৯৮ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরী করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রীড ১৫০ হেক্টর ও উফশী ৪৬৫ হেক্টর জমিতে বীজ তলা তৈরী করা হয়েছে। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় বোরো ধানের বীজতলা কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।এ রকম আবহাওয়া ধারাবাহিকভাবে থাকলে বীজতলার ক্ষতি হওয়ার আশংকা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। তবে কৃষি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে কৃষকদের পরার্মশ দেয়া হচ্ছে। তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলার চারা লালচে হলুদ হওয়ার আশংকা করছে কৃষকরা। অনেকেই বীজতলা রক্ষায় কৃষি অফিসের পরার্মশ নিয়ে রাতে পানি রাখছে বীজতলায় এবং সকাল হলে তা সরিয়ে ফেলছে।
ঘোড়াঘাট উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি র্কমর্কতা মোঃ ম্মোদেল হোসেন বলেন,শীতের প্রকোপ ও ঘনকুয়াশায় বীজ তলায় পলিথিন ব্যাবহার করলে কোল্ড ইনজুরি থেকে বীজ তলা রক্ষা পাবে ।পলিথিন ব্যাবহারের ফলে বীজতলা গরম হয়ে থাকে এবং কুয়াশা পলিথিন ভেদ করে ভিতরে প্রবেশ করতে পারে না, যার ফলে কোল্ড ইনজুরি থেকে বীজ তলা রক্ষা পায়।
উপজেলা কৃষি ◌্অফিসার মোঃ রফিকুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, এ মৌসুমে এ উপজেলায় ৫৯৮ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরী করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রীড ১৫০ হেক্টর ও উফশী ৪৬৫ হেক্টর জমিতে বীজ তলা তৈরী করা হয়েছে।সারাদেশের মতো এ অঞ্চলেও কয়েকদিন থেকে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা। এই ঘনকুয়াশার কারণে বীজতলা নষ্ট হয়। কিন্তুএখনও বীজতলা নষ্ট হওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়নি। তবে এরকম আবহাওয়া আর কিছুদিন থাকলে বীজতলা নষ্ট হতে পারে। এজন্য কৃষি অফিস থেকে আমরা কৃষকদের পরার্মশ দিচ্ছি নিয়মিত। সেই সঙ্গে মাঠে মাঠে গিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখছেন আমাদের কৃষি র্কমর্কতারা। কৃষকরাও আমাদের পরার্মশ অনুযায়ী কাজ করছেন।
তিনি আরও বলেন, বীজতলা নষ্ট হওয়ার মূল কারণ তীব্র শীত। এজন্য রাতের বেলায় বীজতলায় পানি রাখতে হবে এবং দিনের বেলায় পানিটা সরিয়ে ফেলতে হবে। তাহলে এটি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। এসব বোরো ধানের বীজতলা রক্ষার জন্য ইউরিয়া ও জিপসাম সার প্রয়োগের পাশাপাশি প্রতিদিন বীজতলার কুয়াশা ঝেডে় দিতে হবে। চারাগুলোকে পারলে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখারও পরার্মশ দেন তিনি।