
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে বেড়েছে হিম বাতাস। সকাল গড়িয়ে বেলা বাড়লেও ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে গ্রামীন জনপদ। আজ শুক্রবার সকাল নয়টায় জেলায় সর্বনিম্ন ১১.৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপামাত্রা রেকর্ড করেছে খেপুপাড়া আবহাওয়া অফিস। উত্তর থেকে ভেসে আসা হিম বাতাসে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। দুর্ভোগে রয়েছে চরাঞ্চলে বসবাসকারীরা। উপজেলার হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠান্ডা জনিত শিশু রোগীর সংখ্যা।
উপজেলার টিয়াখালী ইউপির ষাটোর্ধ অটোরিকশা চালক জহির উদ্দিন মোল্লা বলেন, তীব্র শীতের সাথে হিমবাতাসের কারণে রিকশা নিয়ে বের হতে কষ্ট হয়। পেটের দায়ে বের হচ্ছি। পৌর শহরের রাজমিস্ত্রী মো: দুলাল বলেন, কুয়াশার কারনে কিছুই দেখা যায় না। তারপর আবার ঠান্ডা বাতাস, এতেকরে আমরা ঘরথেকেই বেরহতে পারছিনা। তবে কিভাবে কাজ করতে জামু।
উপজেলা প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের লাইভস্টক কর্মকর্তা আরিফুর রহমান মিরাজ জানান, তীব্র শীতের কারণে গবাদি পশু এবং গৃহপালিত পাখিরা ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিন্ময় হালদার জানান, শীতের তীব্রতায় ডায়রিয়া ও ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও জানান, এর বেশিরভাগই শিশু এবং বৃদ্ধ। জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা মাহাবুবা সুখী জানান, বর্তমানে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আরও কিছুদিন স্থায়ী থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।