ঝালকাঠি জেলায় এবার মন্ত্রী চায় ভোটাররা। হেভী ওয়েট এমপি থাকা সত্বেও দীর্ঘ বছরে ঝালকাঠি জেলায় কোন মন্ত্রী না থাকায় হতাশ ২টি সংসদীয় আসনের ভোটাররা। এ নির্বাচনে ঝালকাঠি-২ আসনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আমির হোসেন আমু। অন্যদিকে ঝালকাঠি-১ আসনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগে সদ্য যোগদানকারী বরিশাল বিভাগের ৯নং সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার ব্যরিষ্টার এম শাহজাহান ওমর, বীর উত্তম।
বৃস্পতিবার মন্ত্রীসভার ঘোষনা আসলে মঙ্গলবার দিনজুড়ে ঝালকাঠি-১ আসনে টক অব দ্যা টাউন ছিল ঝালকাঠি থেকে মন্ত্রী হচ্ছেন কে? সাবেক আইন ও ভুমি প্রতিমন্ত্রী শাহজাহান ওমর আওয়ামী লীগে যোগদান করে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বাজীমাত করেছেন।
রাজাপুর-কাঁঠালিয়ার আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের এক কাতারে সামিল করেছেন। ঝালকাঠি-১ আসনের সাধারন জনগন মনে করেন, এক সময়ের বিএনপির ঘাটি রাজাপুর-কাঁঠালিয়াকে আওয়ামী লীগের শক্ত অবস্থান গড়তে সক্ষম হয়েছেন শাহজাহান ওমর। তাই তিনি মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়ার দাবী রাখেন। এনিয়ে জেলজুড়ে বিভিন্ন মহলে দিনভর আলোচনার জড় উঠে। এ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধারাও চাচ্ছেন মন্ত্রীসভায় গুরুত্বপুর্ন স্থান পাক শাহজাহান ওমর।
ঝালকাঠি-১ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি ছেড়ে আসা সাবেক আইন ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার এম শাহজাহান ওমর বীর উত্তম। গত ২টার্ম এ জেলায় মন্ত্রী না থাকায় উল্লেখযোগ্যহারে উন্নয়ন তরান্বিত হয়নি বলে মনে করছেন এজেলার সাধারন মানুষ। ঝালকাঠির সকল ধর্ম, বর্ণ, পেশা ও দলের মানুষ এ দাবীর প্রতি সহমত জানিয়েছেন।
নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন মহলের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সোমবার সন্ধ্যায় শাহজাহান ওমর এলাকা ত্যাগ করে ঢাকায় চলে যান। তবে অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানানোর প্রতিক্ষায় অপেক্ষমান ছিলো। জনগণ আশা করছে দ্বাদশ সংসদের ঝালকাঠি জেলায় মন্ত্রী থাকবে কারণ বিগত ১০ বছরে এই জেলায় কোন মন্ত্রী ছিলো না।
ব্যরিষ্টার এম শাহজাহান ওমর বীর উত্তম বলেন, নেত্রী যে দায়িত্ব অর্পন করবেন, আমি সেটিই সঠিকভাবে পালন করব। আমাকে কোন গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বে দেয়া হলে বরিশাল বিভাগে দল আরো শক্তিশালী হবে।