ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসনে তৃতীয়বারের মতো বিপুল ভোটে নির্বাচিত নৌকার মাঝি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মেজর জেনারেল অব: আব্দুস সালাম আরসিডিএস পিএসসি’কে মন্ত্রী সভায় দেখতে চায় নান্দাইলবাসী। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নান্দাইল আসনে কোন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী দেখতে পায়নি নান্দাইলের জনগণ। ৭ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নান্দাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ, অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন, আওয়ামী পরিবার সহ দলমত নির্বিশেষে সাধারন মানুষ নৌকাকে ভালোবেসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এ আসনটি উপহার দেন। সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ও নান্দাইল উপজেলাকে রোল মডেল উপজেলা হিসাবে গড়ে তুলতে নৌকার মাঝি মেজর জেনারেল অব: আব্দুস সালামকে মন্ত্রী সভায় স্থান দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি নান্দাইলবাসী জোর আহবান জানান। নান্দাইল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহান বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে একাত্মা হয়েই নান্দাইলের জনগণ নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। তাদের পছন্দের ব্যক্তি মেজর জেনারেল অব: আব্দুস সালামকে মন্ত্রী হিসাবে দেখা এখন তাদের প্রাণের দাবী। সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সরকার ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন ভ‚ইয়া বলেন, নান্দাইলের নৌকার মাঝি মেজর জেনারেল অব: আব্দুস সালাম একজন দক্ষ সাংগঠনিক ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি সৎ নিষ্টা ও যোগ্য প্রার্থী হিসাবে তিনি মন্ত্রীত্ব পদে উন্নিত হলে নান্দাইলবাসীর বহুদিনের মন্ত্রীত্ব পাওয়ার স্বপন পূরণ হবে। এছাড়া তাঁর নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে উন্নয়নের বহুধাপ এগিয়ে যাবে। উল্লেখ্য- মেজর জেনারেল অব: আব্দুস সালাম সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে যোগ দেন। তিনি ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তিনি বাংলাদেশ গোয়েন্দা সংস্থা (ডিজিএফআই) এর সাবেক প্রধান, সাবেক রাষ্টদূত, সাবেক চেয়ারম্যান বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, স্বরাষ্ট্র ও যোগাযোগ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সভাপতি,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য ও বর্তমান নান্দাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি। এছাড়া ১৯৯০ সনে সৈরশাসক এরশাদের পদ ত্যাগে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করেছিলেন। ১৯৯০ এর ডিসেম্বর মাসের চার তারিখ তিনি সেনাবাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ হিসাবে মেজর জেনারেল অব: আব্দুস সালাম সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসাইন মোহাম্মদ
এরশাদকে সরাসরি পদত্যাগ করতে বলেন এবং ওই দিন রাতেই এরশাদ পদত্যাগ করেন। আওয়ামীলীগে যোগদানের পর ১৯৯৬ সন থেকে তিনি অদ্যবধি পর্যন্ত নান্দাইল উপজেলা আ’লীগের হাল ধরে রেখেছেন।