খুলনা জেলার বিভিন্ন সড়কে অবাধে চলছে লাইসেন্সবিহীন ট্রলি। এসব টলির বেশিরভাগ চালকই অল্পবয়সি অদক্ষ। লাইসেন্সবিহীন ট্রলি খুলনার বিভিন্ন সড়ক ও জনপদে বেপরোয়া গতিতে চলাচলের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।সাধারণত লাইসেন্সবিহীন এসব টলিতে ইট, বালু, সিমেন্ট,রড পরিবহন করা হয়।
জানা গেছে, রুপসা উপজেলা শ্রীফলতলা ইউনিয়নের নন্দনপুর নিবাসী মোহাম্মদ জাফর মোল্লার বড় ছেলে মোহাম্মদ ইয়ামিন মোল্লা (১৬) ট্রলির চাপায় আহত হয়। দ্রুত উদ্ধার করে আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার অবনতি হলে ঢাকা কাকরাইল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হলে আজ ৯/১২/২০২৪ মঙ্গলবার রাত ১টার সময় মারা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায় গত ১/১/২০২৪ তারিখে সকাল ১১টার নন্দনপুর ঢাকা রোড পরিচিত মোঃ খোকন হাওলাদের বাড়ির মোড়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত মোহাম্মদ ইয়ামিন মোল্লা আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের এসএসসি পরীক্ষার্থী সে বাড়ির প্রথম সন্তান, তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারের শোকের আহাজারিতে বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
নিহতের পিতা ও চাচা জাহিদ মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন আমার ছেলে অবৈধ ট্রলির দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, আমাদের কোল খালি হয়েছে, আর কোন পিতা -মাতা তার সন্তানকে না হারায়,আমরা দেখতেছি জানতেছি প্রতিনিয়ত অবৈধ ইটে ট্রলিতে দুর্ঘটনা ঘটাচ্ছে অনেক মায়ের কোল খালি হচ্ছে,নিহতের পিতা বলেন আমার সন্তানের চিকিৎসার নিয়ে আমরা খুবই ব্যস্ত ছিলাম,আমি থানায় কোন লিখিত অভিযোগ করিনি,তবে আমি প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই অবৈধ লাইসেন্স বিহীন অধ্যক্ষ চালক দিয়ে ট্রলি চালানো বন্ধ করতে হবে। দুর্ঘটনার ব্যাপারে পুলিশের কাছে জানতে চাইলে বলেন আমাদের থানায় কোন লিখিত অভিযোগ হয়নি, অভিযোগ হলে আমরা ব্যবস্থা নিয়া হবে।