
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার খলসী ইউনিয়নের ভররা গ্রামের একজন সমাজ সেবক ও সাদা মনের মানুষ মো. ইলিয়াস হোসেন। তার নিজ এলাকায় অসহায় দরিদ্র মানুদের নানা রকম সাহায্য সহোযোগিতা করে তিনি বর্তমানে হাতীম তাই হিসেবে সু-পরিচিত।
মানিকগঞ্জে অনেক ধন-সম্পদ পূর্ন ব্যক্তি আছে কিন্ত মানুষকে সাহায্যে করার মত ইলিয়াস হোসেন খুব মানুষ ই দেখা যায়। তিনি তার মেধা ও শ্রম কে কাজে লাগিয়ে সমাজ ব্যবস্থা পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছেন অনবরত। তিনি মনে করেন টাকা পয়সা থাকলে প্রকৃত সুখ পাওয়া যায় না সুখ পাওয়া যায় অসহায় বা বিপদে পরা মানুষকে সাহায্যে সহোযোগিতা করার মাধ্যমে। আত্মপ্রচার নয় আত্মতৃপ্তিই তাই মূল উদ্দেশ্য। মানবতার কল্যানে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া ইলিয়াস হোসেন। তিনি মানুষের আস্থা ও ভালবাসাকে পুঁজি করে গরীব দুঃখি মেহনতী মানুষের দুঃসময়ে পরম বন্ধু হিসেবে পাশে আছেন সব সময়। তিনি শুধু তার মা-বাবার গর্ব নয় মানিকগঞ্জের গর্ব।
সমাজ সেবার কাজে জরিয়ে তিনি অল্প দির্নের মধ্যেই মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি সব সময় অসহায় মানুষের পাশে সেবার কাজে নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয়! যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়। অর্থ, ত্রান সাহায্য করা ছাড়াও তিনি অসহায় মানুষের সেবার জন্য মানিকগঞ্জে মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান মানব সেবার উদ্দেশ্যে তৈারি করে সমাজের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন বলে জানান এই সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন।
সমাজ বিনির্মানের প্রত্যায়ে মানিকগঞ্জে ইলিয়াস হোসেন নীরবে নিভৃতে কাজ করে মানবতার কল্যানে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া ইলিয়াস হোসেন। তিনি জনগণের আস্থা ও ভালবাসাকে পুঁজি করে গরীব দুঃখী মানুষর দুঃসময়ে পরম বন্ধু হিসেবে পাশে রয়েছেন। ছাত্র জীবন থেকে তিনি অসহায় সহজ সরল ও দুঃখী মানুষের পাশে থেকে মানব সেবায় অভ্যস্ত ছিলেন । মানবতার ফেরিওয়ালা ব্লাড ফাউন্ডেশন মানিকগঞ্জ এর জনাব ইলিয়াছ হোসাইন এর উদ্যেগেই পরিচালিত হচেছ, মানব সেবা তার পেশা।
তিনি মানিকগঞ্জবাসী সহ বিশেষ করে দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলার গরীব মানুষের নানা ভাবে সাহায্য করে থাকেন। মানিকগঞ্জ জেলা ছাড়াও তিনি দেশ ও মানব সেবায় বাংলাদেশি মানুষ কে নানা ভাবে বিদেশের মাটিতেও সাহায্য করে যাচ্ছেন।
দেশের আরাম আয়েসের জীবন ছেড়ে সমাজ সেবক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন বর্তমানে একজন সৌদি আরব প্রবাসী । দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি সামাজিক অবক্ষয় রোধ ও সমাজ সেবায় তৎপর রয়েছেন। এলাকায় মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান, ওয়াজ মাহফিল, অসহায় মানুষদের চিকিৎসা সেবা, এতিমখানা ও গরীব অসহায় সহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে আর্থিকভাবে সাহায্য করে যাচ্ছেন। এমনকি করোনাকালীল দূর্যোগে অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে খাবার সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার ব্যাবস্থা করে দিয়েছেন সূদুর সৌদি আরবের দাম্মাম থেকে । সৌদি আরবে তিনি বাংলাদেশী কমিনিউটি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশী হিসেবে সৌদি আরবে কেউ অর্থিক সমস্যায় বা অসহায় মানুষকে নানা ভাবে বিদেশের মাটিতে তিনি সাহায্য সহোযোগিতা করার রেকর্ড ও আছে মানিকগঞ্জের মানিক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেনের।
ইলিয়াস হোসেন বলেন, ” আলহামদুলিল্লাহ্” আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। বাবা ছিলেন মাদ্রাসার শিক্ষক বাবার কাছ থেকেই শিখেছি অভাব অনটনের মাঝেও কিভাবে মানুষ কে সাহায্য সহযোগীতা করতে হয়। আমি ছোট বেলা থেকেই নিজের সার্ধ মত চেষ্টা করি মানব-সেবা করার । সকলের সহযোগীতা ভালবাসা নিয়ে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহন সহ গরীব, দুস্থ্য ও অসহায়দের পাশে থেকে সব সময় সহযোগীতা করতে চায়।
মানব সেবা কি সবাই করতে পারে! এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মহান আল্লাহুর রহমত যার উপরে আছে সে চাইলে মানব সেবা করতে পারবেন ‘ইনশাল্লাহ।’ টাকা ইনকাম সব মানুষই করতে পারে কিন্তু সেই টাকা ভালোকাজে বা মানব সেবায় খরচ করাটা সকলের ভাগ্যে হয় না। তাই আমি বলবো, মানব সেবা সেই করতে পারেন যার উপর আল্লাহর রহমত আছে। তিনি অনেক ভাগ্যবান লোক।
ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইলিয়াস হোসেন বলেন, মূল উদেশ্য হচ্ছে মানবিক কাজের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করা, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। আমার গঠিত মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুসাইন ফাউন্ডেশনের সদস্যরা প্রকৃত অসহায় মানুষের কাছে তার পাপ্য পৌঁছে দিবেন। মানুষ মানুষের জন্য কথাটা, আমি কাজের মাধ্যমে প্রমান করতে চাই।আমি একটা সময় থাকবো না কিন্তু আমার প্রতিষ্ঠা করা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আজীবন মানবিক, সামাজীক কাজ চলমান থাকবে।’আমার নিজ এলাকাসহ দেশ এবং প্রবাসের বিভিন্ন জায়গায় মানবিক ও সামাজিক কাজ করে যাচ্ছি, ভালো সারা পাচ্ছি ”আলহামদুলিল্লাহ্। ”
ভবিষ্যৎ উদ্দেশ্য ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, আমি খুবই সাধারণ একজন মানুষ, যতদিন বেচে আছি মানব সেবা করে যাবো ইনশাআল্লাহ। আমি ভালো কাজের মাধ্যমে মানুষের অন্তরে হাজার বছর বেচে থাকতে চাই। আমি বর্তমানে প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুসাইন ফাউন্ডেশন, প্রধান উপদেষ্টা মানবতার ফেরিওয়ালা ব্লাড ফাউন্ডেশন মানিকগঞ্জ, উপদেষ্টা শতরুপা মানবিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন, সাধারণ সম্পাদক ভররা বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, সহ সভাপতি ভররা কবরস্থান, সহ সভাপতি ভররা উত্তরপাড়া বাইতুস সালাহ জামে মসজিদসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের দ্বায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।
মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন আরও বলেন, মানুষ কে সাহায্য বা সেবা করার কারন হিসেবে তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা কে রাজী খুশি করাই আমার উদ্দেশ্য। মানুষ মানুষের জন্য জীবন-জীবনের জন্য কথাটা আমি কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চাই। মানুষের জন্য কিছু করতে পারার মাঝে আনন্দ খুঁজে পাই। যখন কোনো অসহায়, দুস্থ মানুষকে সাহায্যের মাধ্যমে তাঁর মুখে হাসি ফোটাতে পারি তখন হৃদয় যে প্রশান্তিতে ভরে যায় তা বলে বোঝানো যাবে না। সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।
শেষ কথা: ‘মানুষ মানুষের জন্য” এ বাক্যটির প্রমাণ মিলে মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন ও তাঁর জনহিতকর কাজে। প্রচার বিমুখ এই মানুষটি নীরবে আর নিভৃতে মানুষের জন্য কাজ করাটাকেই পছন্দ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন বলে জানান এই সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন।’
এছাড়াও এলাকার তরুন ছেলেদের ক্রিকেট ফুটবল, ব্যাটমিন্টন খেলায় সহযোগীতাসহ ক্রীড়াঙ্গনে রয়েছে তার বিশেষ অবদান।