
ফরিদপুর-৩ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা, সন্ত্রাসী হামলা, কর্মী সমর্থকদের উপরে আতঙ্কিতভাবে হামলা করে নির্বাচন বাণচাল করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল কাদের আজাদ( একে আজাদ)।
আজ (৫ জানুয়ারী)২৪ইং শুক্রবার বেলা ১২টায় শহরের ঝিলটুলি তার নিজ বাসভবনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বিপুল ঘোষের স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্য পেশ করেন, জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শওকত আলী জাহিদ।
তিনি বলেন,ফরিদপুর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিশ্চিত পরাজয় জেনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এরা দুজন মিলে আওয়ামী লীগের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাদের বহিষ্কারের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।
ফরিদপুর ৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল কাদের আজাদ (একে আজাদ) সাংবাদিকদের বলেন। ফরিদপুরে শামীম হকের কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী রয়েছে। ইতিমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক সহ বিভিন্ন মিডিয়ায় তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়েছে। এই চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের নির্বাচনের আগে গ্রেফতার না করা হলে,ফরিদপুরে ৩ আসনে সুষ্ঠু নির্বাচন কখনো সম্ভব হবে না বলে আমি মনে করি।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বিপুল ঘোষ বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই। তিনি যাকে নৌকার মনোনয়পত্র দিয়েছেন তার সাথে ফরিদপুর শহরের ও বাইরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী মাদক কারবারি ক্রস এর আসামি, অস্ত্র ব্যবসায়ী রয়েছেন। যাদের দেখে ফরিদপুরবাসী সর্বদা আতঙ্কের মধ্যে বিরাজ করেন। এদেরকে নিয়ে কিভাবে নৌকা ফরিদপুর শহরে জয়ী হবে এটা আমার বোধগম্য নয়। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রশাসনের কাছে আমি দাবি জানায়,নির্বাচনের আগে এই চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করলে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন কখনোই আশা করা যায় না।
ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ, সিআইপি যশোদা জীবন দেবনাথ বলেন। এই দ্বাদশ নির্বাচন শুরুর আগে থেকেই যে পরিমাণ হুমকি ধামকি এবং কি আমাকে দেশ ত্যাগের পরিকল্পনা করে চলছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আমি সহ আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি । এরপরেও আমার ব্যবসায়ী নেতা একে আজাদের পক্ষে আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। দুঃখের বিষয় আমি একজন জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধাক্ষ হয়েও জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোন ধরনের নিমন্ত্রণ পত্র কখনে পাইনি।