
একজন ভোটারকে জিজ্ঞেস করলাম- আচ্ছা, ধরুন আপনি এবারের নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন, আপনার অপশন তিনটা – নৌকা, ট্রাক, ঈগল?
আপনি কাকে ভোট দিবেন?
তার উত্তরটা ছিল এরকম- স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে একটু বেশি মাতামাতি হচ্ছে। যদি স্বতন্ত্র প্রার্থী ভালো হয়, তাহলে ট্রাক অথবা ইগলে ভোট দেব। তবে যদি স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের দলীয় লোক হয়,তাহলে তাকে ভোট দেওয়া উচিত না। সে সুবিধাবাদী। সে আওয়ামী লীগের লোক হয়ে কিভাবে স্বতন্ত্র হিসেবে ভোট করে। এটা কি স্বতন্ত্র এর মধ্যে পড়ে? এটা স্বতন্ত্রের নামে ধোঁকাবাজি। সে যেহেতু আওয়ামী লীগের নেতা, তার প্রথম কাজ ছিল নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করা। সে যদি বলে দল অনুমতি দিয়েছে – তবে দল বিষ খেতে বললে সে কি বিষ খাবে? সেটাতো খাবে না। এরা হলো সুযোগ সন্ধানী। ফলে সে যত পুরাতন ও বিশ্বস্ত কর্মী হোক না কেন, দলীয় পোস্টে থেকে তার অন্য প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার কোন অধিকার নেই। পৃথিবীর কোন যুক্তিতে এটা বৈধ কাজ হতে পারে না।
দলীয় নেতা হিসেবে নিজ দলের প্রতীকের বিরুদ্ধে দাড়ানো মানে দলের কর্মীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা, তাদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী মনোমালিন্য তৈরি করা। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য সে ঠান্ডা মাথায় এটা করছে। না সে কদু, না সে লাউ। সে আসলে কোন কিছুর মধ্যেই পড়ে না।
তার চেয়ে নৌকার আসল প্রার্থীকে ভোট দেওয়া অনেক ভালো। কারণ সে যা,তা নিয়েই নির্বাচন করছে।