পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে

20

স্টাফ রিপোর্টার:পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে সেতুতে। এ সময় বাধা উপেক্ষা করে অনেকেই পায়ে হেঁটে উঠে পড়েন পদ্মা সেতুতে। একইসাথে সেতুর সঙ্গে নিজেদের ছবিও তোলেন তারা।

|আরো খবরপদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ইবিতে আনন্দ শোভাযাত্রামানুষের ন্যায় বিচার পাওয়ার সকল পথ বন্ধ: ফখরুলপদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে নড়াইলে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন

শনিবার দুপুরে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত উদ্বোধনের পর এমনই চিত্র দেখা যায়। এসময় কয়েকজন দর্শনার্থীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, ইতিহাসের সাক্ষী হতে পদ্মা সেতুর ওপর সেলফি তুলতে এসে।

আগামীকাল রোববার ভোর ৬টা থেকে যানচলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে পদ্মা সেতু।

এর আগে শনিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টা ৫৮ মিনিটে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে সেতু দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর জাজিরার অভিমুখে রওনা হয়। এর আগে বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে নিজ হাতে নির্ধারিত টোল দেন প্রধানমন্ত্রী।

২০০১ সালের ৪ জুলাই স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের নভেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু হয়। দুই স্তরবিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাসের এ সেতুর ওপরের স্তরে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরে একটি একক রেলপথ রয়েছে।

পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ৪২টি পিলার ও ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যানের মাধ্যমে মূল অবকাঠামো তৈরি করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।

পদ্মা সেতু নির্মাণে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। এসব খরচের মধ্যে রয়েছে সেতুর অবকাঠামো তৈরি, নদী শাসন, সংযোগ সড়ক, ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিবেশ, বেতন-ভাতা ইত্যাদি।

বাংলাদেশের অর্থ বিভাগের সঙ্গে সেতু বিভাগের চুক্তি অনুযায়ী, সেতু নির্মাণে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দেয় সরকার। ১ শতাংশ সুদ হারে ৩৫ বছরের মধ্যে সেটি পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ।