গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন আফরুজা বারী। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। কেন্দ্রের নির্দেশে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে ছাড় দেয়া হয়েছে। বর্তমান সংসদ সদস্য শামীম লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এখানে ভোটের মাঠে আফরুজা বারী না থাকলেও তাঁর বড় মেয়ে আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার স্বতন্ত্র প্রার্থী। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তাঁর নাম রয়েছে। নিগার তাঁর মামা সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত মনজুরুল ইসলাম এবং শিল্পপতি মায়ের খ্যাতি ও পরিচিতি কাজে লাগিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। দলের বেশিরভাগ নেতাকর্মী তাঁর সঙ্গে প্রচারে নেমেছেন।
নাহিদ নিগার সমর্থিত নেতারা বলেন, ২০১৪ সালে জামায়াত অধ্যুষিত আসনটি আওয়ামী লীগ উদ্ধার করেছিলেন নাহিদ নিগারের মামা প্রয়াত মনজুরুল ইসলাম লিটন। এরপর থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক কাঠামো সুসংগঠিত হতে থাকে। একাদশ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার নির্বাচিত হওয়ার পর নেতাকর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে আফরোজা বারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে দলকে গুছিয়ে নেন। কিন্তু দ্বাদশ নির্বাচনে আসনটি জাপাকে ছেড়ে দেয়ায় অনেক নেতা কর্মী হতাশ। ফলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতাকর্মী নাহিদ নিগারের পক্ষে কাজ করছেন। এসব কারণে এখানে নাহিদ নিগারের ঢেঁকি মার্কায় বিপুল ভোটে জয়ের আশাবাদী।