
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে নৌকা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করছেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা। তিনি পঞ্চগড়ে’র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয়, তেঁতুলিয়ার পাথর উত্তোলন, চা-পাতার নায্য মূল্য আদায় ও পঞ্চগড় চিনি কল চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন। এতে অনেকটাই বদলে যাচ্ছে নির্বাচনের মাঠ। এ বিষয়ে নৌকা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা বলেন, পঞ্চগড়ে’র মানুষের আয়ের তিনটি বড় উৎস হল, পাথর বালি উত্তোলন, চা-পাতা ও চিনি কল। কিন্তু বর্তমানে চিনি কল বন্ধ রয়েছে। এতে অনেক শ্রমিক ভাই বেকার হয়ে অতি কষ্টে দিন পার করছে। চা-পাতার নায্য মূল্য পাচ্ছে না কৃষকরা। অনেক কৃষক বুকভরা কষ্ট নিয়ে চা-বাগান তুলে ফেলছে। আবার পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকায় লক্ষ লক্ষ মানুষ বর্তমানে বেকার হয়ে গেছে। পঞ্চগড়ে সংসদ সদস্য ছিল। জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিল। তারা এ সবের জন্য কি করেছে এবং কার জন্য এই ঘটনাগুলো ঘটেছে সাধারণ মানুষ জানে। আমার ইচ্ছে থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছু করার ছিল না। এখন সুযোগ পেয়েছি।
আমি জানি সাধারণ মানুষ আমার সাথে আছে।আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে যেভাবেই হোক তেঁতুলিয়ায় পাথর বালি উত্তোলন, চা-পাতার নায্য মূল্য আদায় ও চিনি কল চালু করবো। পঞ্চগড় জেলাকে শিল্প ও পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবো। স্থানীয়রা জানান, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকায়, চা-পাতার নায্য মূল্য না পাওয়া ও চিনি কল বন্ধ থাকায় লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক শ্রমিক আমরা বেকার হয়ে অতি কষ্টে দিন পার করছি। নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা আমাদের পাথর উত্তোলন, চা-পাতার নায্য মূল্য আদায় ও চিনি কল চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা ভাইয়ের নৌকা মার্কার সাথে আছি। পঞ্চগড় -১ আসনে বিপুল ভোটে নৌকা প্রতীকের বিজয় হবে ইনশাল্লাহ্।