রাইত – বিরাতে হাওরের বাধঁ রক্ষার জন্য ছুটে চলেছেন নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মুরাদ

49

তাহিরপুর সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হাওরের একমাত্র বোর ফসলের বাধ রক্ষায় রাত বিরাতে পরিশ্রম করছেন নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব আলী আহমেদ মুরাদ। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে অজানা শঙ্কায় দিন রাত পাড় করতে হচ্ছে, ইতিমধ্যে বিভিন্ন হাওরের কয়েকটি ফসলরক্ষা বাঁধ ধসে পড়েছে। গত শনিবার সকালে টাঙ্গুয়া হাওরের নজরখালী বাঁধ ভেঙে বোরো ফসল তলিয়ে গেছে।আজ শুক্রবার এরালিয়া কোনা হাওর তলিয়ে যায় দুটি বাধেই পি আইসির অন্তর্ভুক্ত নয়।নজর খালি বাধ ভাঙ্গার পাশাপাশি ওইদিন রাতেই টাঙ্গুয়া হাওরের পার্শ্ববর্তী মাটিয়ান হাওরের আনন্দনগর পংখির খাল ফসলরক্ষা বাঁধে ফাটল দেখা দেয়। পরে রাতদিন পরিশ্রম করে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে স্বেচ্ছাশ্রমে কৃষকরা কোনোরকম বাঁধটি রক্ষা করেন। পরেরদিন শনিরহাওরের জামালগন্জ অংশে না্ন্টুখালি বাধ,লালুর ঘোয়ালা বাধ ধ্বসে যায়,প্রতিদিন কোন না কোন হাওরের বাধ ধ্বসে যাচ্ছে, যেমন ঘোরমার হাওর বাঘমারার হাওর,নোযাহাল,ফানার হাওর,গল গইল্লা,এসব বাধ ধ্বসে যাওয়ার খবর শোনলেই ছুটে যাচ্ছেন হাওর বেষ্টিত দঃ শ্রীপুর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত জনতার চেয়ারম্যান জনাব আলী আহমেদ মুরাদ, তিনি ধ্বসে যাওয়া বাধের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগীতায় বাশ দাড়ি, বস্তা নিয়ে কৃষকদের পাশে দাড়িয়েছেন, কৃষকদের রাত জেগে উৎসাহ দিচ্ছেন বাধ রক্ষার জন্য।কৃষকদের সোনার ফসল যদি কিছু হয় তাহলে আগামী একটি বৎসর তাদের কষ্ট করে দিনাতিপাত করতে হবে।ঘোরমার হাওরের কৃষক আয়নাল মিয়া বলেন আমাদের একমাত্র ফসল কত কষ্ট করে দার দেনা করে জমিন রুয়াইছি যদি পানিতে ডুইব্বা যায় তা হইলে বউ বাচ্চা নিয়া খামু কি, এইবার আমাদের চেয়ারম্যান সাব সারা দিন রাত হাওরের বাধের লাইগ্যা কষ্ট করতাছইন,এর আগে কোন চেয়ারম্যান এভাবে কষ্ট করে নাই,প্রতিদিনি তাহিরপুরের বড় অফিসারের সাথে হাওরে আইসা রাত জাগছেন,আমরারে বাধে কাজ করবার লাইগা উৎসাহ দিতাছইন।নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব আলী আহমেদ মুরাদ বলেন, আমরা জনগনের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই, কারন জনগন তাদের আমানত ভোট দিয়ে আমাদেরকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন, হাওরের বাধে অনেক সমস্যা আছে আমরা তা নিয়ে এখন ভাবছিনা, আগে কৃষকের ফসল রক্ষা করতে হবে, ফসল রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের যা যা করনীয় তাই করবো,আমরা যদি ফসল রক্ষা করতে না পারি তাহলে আগামী একটি বছর সবাইকে অনেক কষ্ট করতে হবে, যারা বাধের কাজে অনিয়ম অবহেলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিবে কর্তৃপক্ষ, আামাদের সুদক্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রায়হান কবির স্যার আমাদের হাওরের বাধ রক্ষার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন, আমরা দঃশ্রীপুরবাশী ওনার কাছে কৃতজ্ঞ।নদীতে পানি অনেকটা কমে আসছে আমরা আশা করছি আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে কৃষকের সোনার ফসলের ক্ষতি হবেনা।