আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ সেলিম-দেলোয়ার দিবস

45

মো:সায়েম মুসাব্বির,বাউফল প্রতিনিধিঃ
আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ ‘সেলিম-দেলোয়ার দিবস’।
স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন ১৯৮৪। সেলিম ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র। আর দেলোয়ার রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। ১৯৮৪ সালের উপজেলা নির্বাচনের ডাক দেয় স্বৈরাচার সরকার। এর বিপরীতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৫ দল ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৭ দল এবং ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ নির্বাচনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করে। সেদিন এ দুই ছাত্রনেতা ছিলেন মিছিলের পেছন দিকে।

১৯৮৪ সালের এই দিনে স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলনে রাজধানীর গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল এলাকায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে স্বৈরশাসাকের পুলিশের ট্রাক অতর্কিতে পিছন থেকে দ্রুতগতিতে চালিয়ে দেয় এবং ঘটনাস্থলে ট্রাকচাপায় শহীদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক যুগ্ন-আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম সেলিম ও তার সহযোদ্ধা ছাত্রলীগ নেতা কাজী দেলোয়ার হোসেন।

তাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখে। সেই ঘটনার পর থেকে সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমাবেশে আর রাজপথের এরশাদবিরোধী মিছিলে ছাত্ররা স্লোগান দিতে থাকে; ‘সেলিম, দেলোয়ার, তিতাস; আন্দোলনের লাল পলাশ’।

বিভিন্ন কর্মসূচিতে দিনটি পালন করা হয়েছে। আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে শহীদ ‘সেলিম-দেলোয়ার’ দিবস উপলক্ষ্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের সামনে শহীদ সেলিম স্মৃতিফলক ও শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সামনে শহীদ দেলোয়ার স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন।

শহীদ ইব্রাহিম সেলিমের পরিবারের পক্ষ থেকে বাউফল শহীদ সেলিম মাদ্রাসায় আলোচনা সভা ও পারিবারিক মসজিদে দো’আ মোনাজাত ,মিলাদ এবং শহীদ সেলিম‘র কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ১ মিনিট নীরবতা পালন করে।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য, রায়হান সাকিব সহ বাউফল উপজেলা ও নাজিরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।