উল্লাপাড়ায় দ্বাদশ গ্রন্থমেলার সমাপনী

28

রিয়াজ আহমেদ হান্নান,স্টাফ রিপোর্টার: অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২২ এর সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও গ্রন্থ মেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জনাব দেওয়ান মওদুদ আহমেদ জানান, বর্তমান প্রজন্মকে ভাষা আন্দোলনের পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অবহিত করতে এবছর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবহনকারী বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ব, বধ্যভূমি, গণকবরের ছবি ও রনাঙ্গনের কাহিনী নিয়ে কিছু লেখা স্মরণিকায় সন্নিবেশিত হয়েছে।উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজের শিক্ষার্থীদের মাসিক আট আনা চাঁদার অর্থে ২০১০ সাল থেকে উল্লাপাড়ায় গ্রন্থমেলার আয়োজন করে আসছে উপজেলা প্রশাসন।
প্রতিবছরের মতো এবারও মেলা উপলক্ষে শিশু কিশোরদের লেখা নিয়ে ‘ফাগুনের আবাহন’ নামের একটি স্মরণিকা প্রকাশিত হয়েছে।
এবছর মেলায় ৬০টি স্টল স্থান পেয়েছিল। এছাড়াও মেলায় রয়েছে শিশু কিশোরদের বিনোদেনর জন্য নাগোরদোলা, চড়কিসহ বিভিন্ন রাইডস। এছাড়াও ছিল ভিন্নধর্মী নানা খাবারের দোকান।
সেই সঙ্গে প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলা মঞ্চে আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। সমাপনী অনুষ্ঠানে উল্লাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের “ফাগুনের আবাহণ” স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ৮০ পৃষ্ঠার এই স্মরণীকায় উল্লাপাড়ার গুণীজনদের নিয়ে বিভিন্ন তথ্যবহুল লেখা স্থান পায়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম এমপি।বইমেলায় ৬০ টি স্টল বিভিন্ন বই এবং নিজস্ব হস্তশিল্প পণ্য প্রদর্শন করে। উল্লাপাড়ার গুণীজনদের লেখা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হয় প্রতিবারের মতো। উল্লাপাড়ার প্রবীণ সাংবাদিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক লেখা ‘ একাত্তরের সেই আমি’ সুকুমার সুর এর লেখা ‘ কে আমি’ সহ কয়েকজন গুণীজনের বই ব্যাপক পাঠক প্রিয়তা পায়। এবারের বইমেলায় অনেক বই বিক্রি হয়েছে। শিশু কিশোর দের লেখা নিয়ে ‘ ফাগুনের আবাহন ‘ স্মরণীকার মোড়ক উন্মোচন করেন এমপি তানভীর ইমাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেওয়ান মওদুদ আহমেদ, উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফয়সাল কাদের রুমি, সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান পান্না, উল্লাপাড়া মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির।
রাতে সমাপনী অনুষ্ঠানে দর্শক দের মাঝে সংগীত পরিবেশন করেন অনুপমা মুক্তি। অনেক সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রেমী মানুষের আগমনে মুখরিত ছিল মেলা প্রাঙ্গণ।