দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে চট্টগ্রামের সমাবেশ সফল করুন: ডা. শাহাদাত হোসেন

24

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বর্তমান অবৈধ সরকারের কোথাও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। নিত্যপণ্যের বাজার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। দুর্নীতির কারণে এখন এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে যে, প্রতিটি ক্ষেত্রে ২০-২৮ শতাংশ জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে। বাজারের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট তৈরি করা হয়েছে। তারা কৃত্রিমভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। চরম দুর্নীতির প্রভাব বাজারে গিয়ে পড়ছে। লাগামহীনভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় জনগণকে তার মাশুল দিতে হচ্ছে। এর প্রতিবাদে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার কেন্দ্র ঘোষিত চট্টগ্রামের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। আমরা আশা করবো, চট্টগ্রামের প্রশাসন আমাদেরকে সহযোগীতা করবেন। তিনি সমাবেশ সফল করার আহবান জানান।

তিনি শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ২৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভায় এসব কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিএনপির উদ্যোগে চট্টগ্রামের ওয়ার্ড পর্যায়ে হাট বাজারে পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করা হবে। এসব কর্মসূচিতে চট্টগ্রামবাসীকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাই। আমরা মাঠ পর্যায়ে এসব কর্মসূচি নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে চট্টগ্রামবাসীকে সম্পৃক্ত করতে যাচ্ছি। বিএনপি জনগণের দল হিসাবে জনগণের দাবী নিয়ে রাজপথে থাকবে। কর্মসূচিতে দলের সিনিয়র নেতারা অংশ নেবেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য চাল-ডাল-তেলসহ পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে বাংলাদেশের মানুষ আর্থিক দিক থেকে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের প্রকৃত আয় অনেক কমে গেছে। মানুষ মধ্যবিত্ত থেকে নিন্মবিত্তে চলে গেছে, যা বেশিরভাগ মানুষ বলতে পারেন না-এটাই বাস্তবতা। তিনি নেতাকর্মীদেরকে চট্টগ্রামের বিক্ষোভ সমাবেশ সফল করতে প্রস্ততি গ্রহণ করার আহবান জানান।

প্রস্ততি সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, সি. যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক এড. আবদুস সাত্তার, এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, আহবায়ক কমিটির সদস্য মাহবুব আলম, ইকবাল চৌধুরী, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এস এম আবুল ফয়েজ, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, আবুল হাসেম, মন্জুর আলম মন্জু, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, মো. কামরুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহেদ, থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, হাজী মো. সালাউদ্দীন, মো. সেকান্দর, আবদুল্লাহ আল হারুন, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন জিয়া, নুর হোসেন, বিভাগীয় শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল্লাহ বাহার, মহিলাদলের মনোয়ারা বেগম মনি, জেলী চৌধুরী, কৃষকদলের আহবায়ক মো. আলমগীর, সদস্য সচিব কামাল পাশা নিজামী, জাসাসের কেন্দ্রীয় সদস্য আমিনুল ইসলাম, মহানগর আহবায়ক এম এ মুছা বাবলু, সদস্য সচিব মামুনুর রশীদ শিপন, তাতীদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, মৎস্যজীবী দলের আহবায়ক হাজী নুরুল হক, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী নবাব খান, এস এম মফিজ উল্লাহ, আবদুল্লাহ আল ছগির, আলাউদ্দিন আলী নুর, কাজী শামসুল আলম, খন্দকার নুরুল ইসলাম, ফারুক আহমদ, মো. ইলিয়াছ চৌধুরী, মন্জুর আলম মন্জু, মো. বেলাল, রাসেল পারভেজ সুজন, সাইফুল আলম, খাজা আলাউদ্দিন, আশরাফ উদ্দিন, মো. আজম, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ, সৈয়দ আবুল বশর, হাসান ওসমান চৌধুরী, মো. শফি উল্লাহ, আশরাফ খান, হাজী আবু ফয়েজ, এম এ হালিম বাবলু, হাজী এমরান উদ্দীন, আলী হায়দার, জসিম মিয়া, আবু সাহেদ হারুন, মো. হাসান, হাজী মো. জাহেদ, মো. হাসান, মুজিবুর রহমান প্রমুখ।