মসজিদ কমিটি করাকে কেন্দ্র করে মারপিট আহত-২

50

মোস্তাকিম আহমেদ আলিফ মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থেকে:
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে মসজিদ কমিটি করাকে কেন্দ্র করে মারপিটে ২জন আহত হয়েছে। গত শুক্রবার(১৮ ফ্রেব্রুয়ারী) দুপুর ১ টার দিকে উপজেলার কুকুটিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ঝুলদি জামে মসজিদের এ মারপিটের ঘটনা ঘটে। এব্যাপাারে আহতদের পক্ষ থেকে শ্রীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, ঝুলদি জামে মসজিদ সভাপতি আব্দুল মান্নান শেখ এক বছর আগে মৃত্যূ বরণ করেন। কয়েক মাসপর একই এলাকার মিজান ও আনোয়ার মসজিদ কমিটির সভাপতি প্রার্থীতা ঘোষনা করেন। গত ৩ মাস আগে মসজিদের মোতয়াল্লী আব্দুল মান্নান হাওলাদার সভাপতি হিসেবে হাশেম হাওলাদারের নাম প্রস্তাব করেন। এর কিছুদিন পর হাশেম হাওলাদার বলেন আমার বিনা অনুমতি সভাপতি হিসেবে আমার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে এ সভাপতি হওয়ার কোন ইচ্ছে আমার নেই। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন জুম্মা নামাজের পূর্বে মসজিদের ভিতরে মোতয়াল্লী আব্দুল মান্নান হাওলাদারসহ তার ছেলে মজিবর হাওলাদার নুরু হাওলাদার , জলিল মোল্লা, তার ছেলে বাবুল মোল্লা, আলামিন মোল্লা, ওয়াসিম মোল্লা, আতোয়ার মোল্লাগং অন্য কাউকে কোন কিছু না জানিয়ে বাবুল মোল্লাকে সভাপতি ঘোষনা করেন। এসময় মৃত আইয়ুব মোল্লা ছেলে সেলিম মোল্লা প্রতিবাদ করায় মোতয়াল্লী আব্দুল মান্নান ও জলিল মোল্লাগং তাকে এলোপাথারীভাবে মারপিট শুরু করে। সেলিমকে রক্ষা করার জন্য সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম মোল্লার ছেলে সান এগিয়ে আসলে তাকে এলোপাথারী ভাবে মারপিট করে এবং মোতয়াল্লী আব্দুল মান্নান হাওলাদার ও জলিল মোল্লাগং তাদেরকে নামাজ পড়তে না দিয়ে সকলকেই মসজিদ থেকে বের করে দেয়। এই নিয়ে ঐ এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা চলছে। হাওলাদারগং মসজিদের জাগা বিগত ৫০ বছর আগে দানকরেছে বলে উল্লেখ করেন স্থানীয়রা। এই মসজিদ আমার বলে দাবি করেন মোতয়াল্লী আব্দুল মান্নান হাওলাদার। ঘটনাস্থলে খোঁজ নিয়ে জানা যায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, মসজিদের জমির পরিমান ২৮ শতাংশ। সাবেক সভাপতি মৃত মহন হাওলাদার দান করেন ৭ শতাংশ,মৃত কাদির হাওলাদার ১৪ শতাংশ,মৃত রোশন হাওলাদার ৭ শতাংশ, মোতয়াল্লী আব্দুল মান্নান হাওলাদার ৭ শতাংশ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি কোন জাগা দান করেনি বলে অভিযোগ তুলেন স্থানীয়রা । ঘটনার ব্যাপারে অভিযুক্ত সভাপতি বাবুল মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন আমার বাবার সামনে আছি কথা বলতে পারবো না। আপনারা আমার বাড়ীতে আসেন বলে ফোন কেটে দেন। শ্রীনগর থানার এসআই মিরাজ বলেন, এব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। বাদীর সাথে কথা বলেছি। আইনানুয়াযী ব্যবস্থা নিচ্ছি।