
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লক্ষীপুর এলাকার বড়চর লক্ষীপুর গ্রামে মোঃ কামাল হোসেন নামের এক ওমান প্রবাসীর ক্রয়কৃত ও রেকর্ডীয় জমি জোর পূর্বক দখল
করে পাকা ঘর নির্মান করছে একই গ্রামের হাফেজ হাওলাদারের ছেলে হালেম হাওলাদার। আর অসহায় প্রবাসির পরিবার ন্যায় বিচারের আশায় কোর্টে মামলা দায়ের করেও পাকা ঘর নির্মান ঠেকাতে না পারায় নিজেদের জমি রক্ষায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। তবে কালকিনি থানা পুলিশ বলছে নিষেধ করার পরেও তারা ঘর নির্মানের কাজ করেছে শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি। ভূক্তভোগী পরিবার ও গ্রামবাসী জানায়, লক্ষীপুর এলাকায় ১১৮নং মৌজায় ১০৮নং খতিয়ানে ১৯৩নং দাগে ৪শতাংশ জমি ২০০০সালের ২৭ মার্চ সাফ-কবালা দলিল মূলে সূর্যভান বিবির কাছ থেকে ক্রয় করে হোসেন হাওলাদারের ছেলে প্রবাসী মোঃ
কামাল হোসেন। আর দলিল মূলে বি.আর.এস জরিপে নিজ নামে রেকর্ড করে ভোগ দখলের পাশাপাশি নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর(খাজনা) পরিশোধ করে আসছেন। কিন্তু উক্ত জমির পাশে থাকা প্রতিবেশী হালেম হাওলাদার নিজের জমির পাশে উক্ত জমি হওয়ায় জোর পূর্বক তা দখল করে পাকা ঘর নির্মানের চেষ্টা চালায়। হালেম হাওলাদার এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় গ্রামবাসীও এই জুলুমের ব্যাপারে নিরব ভূমিকা পালন করে। উপায়ান্তর না দেখে প্রবাসী কামাল হোসেনের স্ত্রী আয়শা আক্তার ইমা বাদী হয়ে গত ২০ডিসেম্বর মাদারীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করে। মামলার প্রেক্ষিতে কালকিনি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মান কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানায়। কিন্তু পুলিশ চলে আসার পরে ফের কাজ শুরু করা হয়। আর খবর পেয়ে পুলিশ আবার ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পেয়ে ২জনকে আটক করে। কিন্তু গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তি ও বিবাদী মামলার রায় না হওয়া
পর্যন্ত কাজ করবেনা বলে আশ্বস্ত করে। কিন্তু পুলিশ চলে আশার পরে ফের কাজ শরু করায় প্রবাসীর পরিবার ন্যায় বিচারের আশায় এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বলে জানায়।
এব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালকিনি থানার এএসআই শরিফুল হক জানায়, আদালতের নির্দেশের প্রেক্ষিতে আমরা কাজ বন্ধ রাখতে বলি। কিন্তু তার পরেও
নির্মান কাজ করায় ২জনকে আটক করা হয়েছিল। তবে গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তি ও বিবাদী মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত কাজ করবেনা বলে আশ্বস্ত করলে শান্তি বজায়
রাখতে উভয় পক্ষদের বলা হয় এবং নোটিশ দেয়া হয়েছে।’