মুকুল ভরে গেছে আম গাছ, মৌ-মৌ গন্ধে মুখরিত চারপাশ

26

মিজানুর রহমান মিজান, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত। গাছে গাছে ফুটছে নতুন ফুল। মৌ-মৌ গন্ধে সুবাস ছড়াচ্ছে চারদিক। শীতের জড়তা কাটিয়ে আম গাছেও লেগেছে ফাল্গুনের ছোঁয়া। আমের নতুন মুকুলে মুকুলে ভরে উঠেছে দিনাজপুর জেলার বিরামপুরে আম গাছগুলো। এবার কিছুটা আগে ভাগেই শোভা ছড়াচ্ছে আমের মুকুল। আর কিছুদিন পরেই দেখা মিলবে গুটি আমের।ঋতু ও প্রকৃতির মধ্যে দারুণ বোঝাপড়াটা প্রকাশ পায় এখনই। প্রকৃতির নতুন অবয়ব ও ঋতুর পালাক্রম পরিবর্তন এক অন্যরকম মিলন। যেন প্রকৃতি সেজেছে তার নিজস্ব মহিমায়। তাল মিলিয়ে বাদ যায়নি আমের গাছগুলোও। নিজেকে উজাড় করে বিলিয়ে দিচ্ছে তার সৌন্দর্য। ঘ্রাণে ঘ্রাণে বিমোহিত করছে চারপাশ।দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার আম গাছগুলো ভেঙে পড়ছে মুকুলের ভারে। বাড়ির আঙ্গিনা থেকে বাগান পর্যন্ত সব জায়গায় শোভা ছড়াচ্ছে আমের মুকুল। মৌ-মৌ গন্ধে ভরিয়ে তুলছে চারদিক। বাধভাঙা মুকুলে খুশি আমচাষিরাও। এখন চলছে পরিচর্যা। আর কিছুদিন পরই দেখা মিলবে গুটি আমের। পৌরসভার ভবানীপুর (মুন্সিপাড়ার) আমচাষি শহিদুল ইসলাম জানান, মাঘের শেষভাগ থেকেই তাঁরা আম বাগান পরিচর্যা করতে ব্যস্ত রয়েছে। এবার তার বাগানে পর্যাপ্ত পরিমাণ আমের মুকুল এসেছে। অপেক্ষা শুধু আশানুরুপ ফলনের।পৌর শহরের মুন্সিপাড়া মহল্লার আম বাগান মালিক এনামুল হক বাবু জানান, এ বছর এলাকায় প্রচুর পরিমাণ আমের মুকুল এসেছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সর্বোচ্চ ফলন সম্ভব হবে। এজন্য তাঁরাও পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন। তিনি আরো বলেন, কীটনাশক ও ফরমালিনের দূরত্ব বজায় রেখে ফসল উৎপাদনের।বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিকসন চন্দ্র পাল জানান, এবার আমের ফলন হতে পারে তাছাড়া আমরা চাষিদের প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে আসছি।তিনি আরো জানান, এবার এই উপজেলায় ১’শত ৪ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। এ বছর বিষ ও ফরমালিন মুক্ত আম উৎপাদনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।