ভর্তি পরীক্ষার্থীদের থেকে আদায়কৃত ৮ কোটি টাকা ভাগাভাগি করলেন জাবির শিক্ষক -কর্মকর্তারা

28

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি।

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি বিশ্ববিদ্যালয় হলো সাভারের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
এবার সেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ৮কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ভর্তি পরীক্ষার্থীদের থেকে আদায় হওয়া ৮ কোটি টাকা শিক্ষক-কর্মকর্তারা তাদের নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিয়েছে।
এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গতকাল বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে একটি জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে ইউজিসি সদস্য ড. মো. আবু তাহের সকালের খবর ২৪ডটকমকে বলেন, আমরা আমাদের কমিটির সকলকে সাথে নিয়ে আজ সব নথিপত্র দেখতে এসেছিলাম। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। তদন্তের স্বার্থে যা যা দরকার আমরা পেয়েছি।

জানা গেছে, জাবির ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ভর্তি ফরম থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকা আয় হয়। এর মধ্যে ১০ কোটির বেশি ব্যয় হয় পরীক্ষা আয়োজনে। প্রায় ২ কোটির বেশি ব্যয় হয় অন্যখাতে। বাকি ৮ কোটি টাকা শিক্ষক-কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেওয়ার অভিযোগ উঠে। এ পরিপ্রেক্ষিতে গত ৯ জানুয়ারি ইউজিসি ৩ সদস্যদের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ভর্তি পরীক্ষার টাকা ভাগাভাগিকে ‘অর্থ আত্মসাৎ’ বলে অভিহিত করেছে ইউজিসি।

ইউজিসির আর্থিক বিধিবিধান অনুসারে, ভর্তি ফরম বিক্রি থেকে পাওয়া আয়ের ৪০ শতাংশ অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা রাখতে হয়। বাকি ৬০ শতাংশ অর্থ দিয়ে পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সার্বিক ব্যয় নির্বাহ করতে হয়।
তদন্ত কমিটির এক সদস্য বলেন আমরা তদন্ত শেষে রিপোর্ট জমা দিবো।রিপোর্টে যদি এই অর্থ আত্মসাৎ এর প্রমাণ মিলে তাহলে দোষীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।