নাইক্ষ্যংছড়ির দুর্গমে ম্রো-চাক-ত্রিপুরা সম্প্রদায়ে মাঝে গণটিকা দেওয়া শুরু

23

মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু, নাইক্ষ্যংছড়ি,
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর থেকে অন্তত ২৫-৩০ কিলোমিটার দূরের অবস্থান উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নের ক্রোক্ষ্যং চাকপাড়া। এখানে সম্প্রীতিতে বসবাস করেন ম্রো, চাক, ত্রিপুরা সম্প্রদায় এবং বাঙালিরা। পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া এ জনগোষ্ঠীর সুবিধার কথা চিন্তা করে এ দুর্গম এলাকায় বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) থেকে শুরু হয়েছে গণটিকাদান ক্যাম্পেইন। উপজেলা পরিষদ ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একান্ত আন্তরিকতায় শুরু হওয়া এ গণটিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক মোঃ.শফিউল্লাহ। উদ্বোধন পরবর্তী পার্বত্যমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপির পক্ষে জনসাধারণকে মাস্ক বিতরণ করেন তিনি।
এসময় অধ্যাপক মো.শফিউল্লাহ বলেন- দুর্গম জনপদের সকল মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনা। উপজেলার মানুষগুলো যেন সহজভাবে করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণ করতে পারে সেই লক্ষে উপজেলা পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। যার অংশ হিসাবে নাইক্ষ্যংছড়ি-আলীকদম সীমান্তের খুবই দুর্গম এই জনপদে গণটিকাদান ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
স্থানীয় ম্রো, চাক ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের লোকজন জানান- করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণ সম্পর্কে তাঁরা তেমন জানতেন না। উপজেলা চেয়ারম্যান তাঁদেরকে এ ব্যাপারে সচেতন করেছেন। পাশাপাশি তাঁদের দুর্গম গ্রামে করোনাভাইরাসের গণটিকাদান ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করায় তাঁরা অনেক খুশি। গণটিকাদান ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আবু জাফর মো. সেলিম, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইমরান, বিএটিবির ডিপো ইনচার্জ মো: রফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগ নেতা শাহজাহান কবির, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি চোচুমং মারমা, বর্তমান সভাপতি বদর উল্লাহ বিন্দু, শিক্ষক নেতা মংলাইগ্য মারমা, যুবলীগ নেতা ফরিদ উল্লাহ, ছাত্রলীগ নেতা বায়জীদ, মুমু, ফয়সাল আজাদ প্রমূখ।