মাগুরা গোপাল গ্রাম ইউনিয়নে ৪০দিনের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি।

37

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কর্মসংস্থান কর্মসূচির ই জি পি পি এর আওতায় হত দরিদ্রদের জন্য সরকার ৪০ দিনের কর্মসূচি প্রকল্প গ্রহণ করেন যা সারা বাংলাদেশ গ্রাম অঞ্চলে এ প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন কাজ করে সফল হলেও মাগুরা সদর উপজেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়নে চলছে হরিলুট এর অনিয়ম সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গোপাল গ্রাম ইউনিয়নের বাহারবাগ গ্রীন সিটি এখানে একটি প্রকল্প কালাম মেম্বার এর দায়িত্বে যেখানে দেখানো হয়েছে ৫৭জন হতদরিদ্র লোকের সংখ্যা কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৩০ থেকে ৩২ জন লোক পাওয়া গেছে । এ বিষয়ে মেম্বার কালাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিককে বলেন এ বিষয়ে চেয়ারম্যান জানে চেয়ারম্যানকে জানিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। আমরা তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় দুর্নীতি কেন করছেন তখন সে বলে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন। অপরদিকে মেম্বার নাসিমা খাতুন সংকোচ খালি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় উনার ওখানে ৩০ জন থাকার কথা কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখা যায় ২০ জন লোক দিয়ে তিনি দায়সারা মত কাজ সারছেন। নাসিমা খাতুন এর বক্তব্য নেওয়ার সময় উনি বলে যা কিছু করছিসরে চেয়ারম্যান সাহেবের নলেজে দিয়েই করছি। আপনার কিছু বলার থাকলে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন। অপর ইউনিয়নের সৈয়দ আলী মেম্বারের গোপালগ্রাম নামক স্থানে কাজে গিয়ে দেখা যায় একই চিত্র। উনার ওখানে ৩৯ জন থাকার কথা থাকলেও আমরা সরেজমিনে গিয়ে দেখতে প্রায় ২০ জন উনার সাথে ফোনে কথা বললে উনি একই ভাষায় কথা বলে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন। এ বিষয়ে গোপালগ্রাম ট্যাগ অফিসারের বক্তব্য চাইতে গেলে উনি বলে আমি সরোজমিনে যে আজকে কালাম মেম্বারের ওখানে ৩০ জন নাসিমের ওখানে ২০ জন এবং গোপাল গ্রামের ছয়েদ আলীর ওখানে ২০ জন লোক দেখতে পাই আপনার কথাগুলো সঠিক আছে আমি আজকে এবসেন্ট দেখিয়ে দেবো বাকি উনাদেরকে। এবং উপজেলা পিআইও সাহেবের সাথে কথা বললে উনি বলে উপস্থিত যে কয়জনকে পাবো। আমরা সেই কয়জনকে দিবো। বাংলাদেশের রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। উন্নয়নমূলক প্রকল্পের এত বড় দুর্নীতি সুশীল সমাজকে ভাবিয়ে তোলে। তাই সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ইউনিয়ন বাসী।