লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা মৎস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দূর্ণীতির অভিযোগ

22

নুরুল আমিন ভূঁইয়া দুলাল , নিজস্ব সংবাদদাতা:

প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইউনিয়নের স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ ২য় পর্যায়ের প্রতিনিধি লিফদের জন্য বরাদ্দ করা বেতন অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের মৎস্য লিফ ফয়েজ আহম্মেদ জানায়, ৩০ অক্টোবর ২০১৮ সালে লিফ থেকে অব্যহতির জন্য লিখিত দরখাস্ত করি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ারজ্জামানের কাছে। লিখিত দরখাস্ত দেয়ারপর থেকে ঢাকা একটি কোম্পানিতে যোগদান করি।
কিন্তু মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ারজ্জামান ২০১৮ সালের নভেম্বর -ডিসেম্বর, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৮ মাসের টাকা আমাকে কর্মস্থলে চলমান দেখিয়ে ১৬ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে। জুলাই মাসে সনজিত চন্দ্র দাসকে আমার কর্মস্থানে লিফ হিসেবে নিয়োগ দেন সারোয়ারজ্জামান।

অপর দিকে ভাঙ্গাখা ইউনিয়নের স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ প্রতিনিধি কাজী সাহাদাত জানায়, কোন প্রতিনিধি মাঠে অনিয়ম করলে মাসিক বেতন ২ হাজার থেকে ৫ শত টাকা কেটে রাখেন মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ারজ্জমান। ৬ মাসের বেতন থেকে তিন মাসের টাকা দেয়া হয়। তাও ৬০০০ হাজার টাকা থেকে প্রত্যেক লিফ থেকে ১ হাজার টাকা করে কর্তন করে ৫ হাজার টাকা করে লিফ প্রতিনিধিদের দেয়া হয়। পুরাতন ১০ জন প্রতিনিধির বেতন থেকে১০০০ হাজার টাকা করে কর্তন করে রাখেন সারোয়ারজ্জমান। টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করেনি ভয়ে। নতুন লিফ নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রত্যেক প্রতিনিধি থেকে স্ট্যাম্প বাবদ খরচ ৫০০ টাকা করে আদায় করেন। ১ হাজার টাকা কর্তনের বিষয় আমি প্রতিবাদ করলে কোন নোটিশ বা চিটি না দিয়ে চাকুরী থেকে আমাকে অব্যাহতি দেন এ কর্মকর্তার। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি করার অপরাধে বিচার দাবি করি।

এ বিষয়ে বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তর এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর প্রতিকার চেয়ে লিখিত একটি অভিযোগ করি। সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ারজ্জমানের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে তদন্তাধীন রয়েছে।
সরকারি টাকা আত্মসাতের বিষয়ে সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ারজ্জামান অস্বীকার করে বলেন, লিফ ফয়েজের টাকা আমি আত্মাসাৎ করেনি তার বেতনের টাকা সেই নিজেই উত্তোলন করেছে। কাজী সাহাদাত নিয়মিত লিফের দায়িত্ব পালন না করায় তাকে চাকুরী থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানায়,লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।