ঘোড়াঘাটে টাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ এক নারী আটক

22

ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর) থেকে মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদঃ
দিনাজপুর ঘোড়াঘাটে নেশা জাতীয় ইয়াবা ও হেরোইনের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে টাপেন্টাডল ট্যাবলেট। সুত্র জানায়,এই নেশার কাজে ব্যবহৃত টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ওষুধের দোকানে রাখা বা বিক্রি করা নিষিদ্ধ করা হলেও তারা এ সব নেশার কাজে ব্যবহৃত ট্যাবলেট গোপনে নেশা খোরদের কাছে বিক্রি করছে।
এ সব নেশা জাতীয় ওষুধ মাদকসেবীদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করছে। তার এই নেশা জাতী ওষুধ ফার্মেমেসী বা দোকানে না রেখে গোপনীয় ভাবে রেখে নির্দিষ্ট লোক মারফত বিক্রি করে থাকে।এমনকি বড় বড় চালানের ব্যবসাও তারা করে থাকে।
এ সব নেশা জাতীয় ওষুধ এক জায়গা থেকে ্অন্য জায়গায় আনা নেয়া করে।এমন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ ফেব্রæয়ারি মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় ১নং বুলাকীপুর ইউনিয়নের ভেলাইন কলাবাড়ি মুন্নাপাড়ায় অভিযান পরিচালনা করে ১২০ পিচ টাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মোছাঃ সুইটি আকতার (৩১) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ।গ্রেফতারকৃত সুইটি উপজেলার কলাবাড়ি মুন্নাপাড়ার মোঃ লিটন মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ জানায়,এসআই হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে উপজেলার কলাবাড়ি মুন্না পাড়া গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী লিটন মিয়া তার বাড়ির সামনের রাস্তায় সে সহ তার স্ত্রী সুইটি ও আর এক মাদক ব্যবসায়ী তিন জন মিলে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করছে।
উক্ত খবরের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের দুইজন পালিয়ে যায়।পুলিশ এ সময় মোঃ লিটন মিয়ার স্ত্রী সুইটি বেগমকে আটক করে।পুলিশ সুইটির হাতে থাকা সিনথেটিক শপিং ব্যাগের মধ্যে রাখা কমলা রং এর ১২০ পিচ মাদকদ্রব্য টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে।
ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আবু হাসান কবির জানান,মাদক দ্রব্য হিসাবে ব্যবহৃত ১২০ পিচ টাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ এক নারী কে আটক করা হয়েছে এবং তিন জনের নাম উল্লেখ করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।আটক আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং অপর আসামিদেরকে আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।