
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের শ্রীপদ্দি গ্রামের আবু বকরের ছেলে শেখ আহাম্মদকে ভূমিগ্রাসী আখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে ৬৭ বছর পূর্বের ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবর-দখল চেষ্টার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আহছান উল্যাহ।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার শ্রীপদ্দি গ্রামের নিজ বাড়িতে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আহছান উল্যাহ সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন।
এসময় স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান, আবুল হাসেম, আবুল কাশেম, আবদুর রউফ, আবদুল মালেক, মো. ইলিয়াছ’সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
মোহাম্মদ আহছান উল্যাহ লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৯৫৬ সালে জৈনক রাজকুমারের নিকট হতে কবলা মূলে ১৫.৭৫ শতাংশ, ১৯৯৮ সালে প্রদীপ চন্দ্র মজুমদার, তপনচন্দ্র মজুমদার, সেন্টু চন্দ্র মজুমদার ও পিন্টু চন্দ্র মজুমদার হতে কবলা মূলে ১৩ শতাংশ এবং ১৯৮৮ সালে মথুরানি মজুমদার হতে ০৯ শতাংশ ভূমি খরিদ সূত্রে মালিক হয়ে ভোগদখল করে আসছেন তিনি।
তিনি বলেন, হঠাৎ ২০২২ সালে ১৬৮০ নং কবলায় ২১৫৩ দাগে ১ শতাংশ ভূমি ক্রয় করে জৈনক শেখ আহাম্মদ তাঁর ১৯৫৬ সালের খরিদকৃত সম্পত্তি দখল করার পায়তারাই লিপ্ত হয়েছে। আমার ৬৭ বছর পূর্বের ক্রয়কৃত সম্পত্তি হঠাৎ করে কেন শেখ আহাম্মদের নজরে আসলো এবং কেন সেই জবর-দখল করার পায়তারা করছে এ নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও থানা-পুলিশে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার মিলছেনা।
স্থানীয়রা বলেন, শেখ আহাম্মদ একজন মামলাবাজ মানুষ। মানুষের ভূমি নানা কায়দায় জবর-দখল করে গ্রাস করা এবং মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানী করাই হলো তার কাজ। মোহাম্মদ আহছান উল্যাহর ভূমি দখল করতে চাইলে আমরা বাঁধা প্রদান করায় শেখ আহাম্মদ আমাদেরও হত্যাসহ নানা হুমকি দিয়ে আসছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও তাকে ভয় পায়।
এবিষয়ে জানতে শেখ আহাম্মদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলে তিনি সংযোগ রিচিভ না করায় তার বক্তব্র জানা যায়নি।
এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।