ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
যৌথবাহিনীর অভিযানে সাতদিনে গ্রেফতার ৩৪১
এসো আমরা ঈদের আনন্দের সাথে নিজেরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করি-ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সালেহী
কলাপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনায় গ্রেফতার ৭
নওগাঁয় ধানখেতে গলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মুলহোতা গ্রেপ্তার
নাইক্ষ্যংছড়ির পাহাড়ি কন্যা পর্যটন লেকে ঈদে ১৬ বছরের রেকর্ড পর্যটকের ঢল
বাঁশখালীতে টানা ৪১ দিন জামাতে নামাজ আদায় করা ১৭ শিশু-কিশোর সাইকেল উপহার
আত্রাইয়ে ঈদের চতুর্থ দিনেও সাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশনজুড়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গ্রেফতার
কলমাকান্দায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার পলাতক অলি আহমেদ
নেত্রকোণা সরকারী কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
ভারতীয় মিডিয়া গুজবে চ্যাম্পিয়ন:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জিয়ার শ্রদ্ধা স্মারক সরিয়ে ফেলার অপকর্মে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনুন:জাসাস
কালিগঞ্জে প্রত্যয় গ্রুপের ১৩ তম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনমিলনী 
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬

আজ নান্দাইল হানাদার মুক্ত দিবস

আজ নান্দাইল হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ১১
ডিসেম্বর ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা পাকিস্তানের হানাদার ও রাজাকার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয়েছিল। তাই ১১ ডিসেম্বর দিনটি নান্দাইল মুক্ত দিবস তথা শহিদ দিবস হিসাবে পরিচিত। নানা কর্মসূচী উদযাপনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হবে। নান্দাইল উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. মাজহারুল হক ফকির বলেন,১১ ডিসেম্বর দিনটি নান্দাইলবাসীর জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ও স্মরণীয় দিন। পাশাপাশি এ দিনটি আমাদের জন্য আনন্দের দিন।আমি এ বিজয় মাসে সকল শহিদদের জন্য মাগফেরাত কামনা করি। উল্লেখ্য মুক্তিযুদ্ধের সময় নান্দাইল থানা কার্যালয় ও এর আশপাশে ছিল রাজাকার ও পাক-হানাদারদের ঘাঁটি। মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল ১৭ নভেম্বর রাতে নান্দাইল থানায় আক্রমণ চালায়। ঘাতক বাহিনীর ভারি অস্ত্রের সামনে ৪ ঘণ্টা যুদ্ধের পর পিছু হঠতে বাধ্য হন মুক্তিযোদ্ধারা। কিন্তু এ যুদ্ধে শহীদ হন নান্দাইলের মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক ও ইলিয়াস উদ্দিন। এরপর দিন থেকে রাজাকার, আল-বদর ও পাক হানাদার বাহিনীর অত্যাচারের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ১০ ডিসেম্বর গভীর রাতে নান্দাইল থানার উত্তর দিক খোলা রেখে অন্য তিনদিকে অবস্থান গ্রহণ করেন মুক্তিযোদ্ধারা। আত্মসমর্পণ না করলে তুমুল আক্রমণ শুরু হবে বলে ঘোষণা দিলে পাকবাহিনীসহ রাজাকার-আলবদররা রাতেই উত্তর দিকের সড়ক দিয়ে আঠারোবাড়ির দিকে পালিয়ে যায়। এরপর রাত ২টায়
মুক্তিযোদ্ধারা সেখানে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন। ১০ ডিসেম্বর গভীর রাতে থানা মুক্ত হবার কারণে ১১ ডিসেম্বর দিনটিকে নান্দাইলের শহীদ হিসেবে গণ্য করা হয়।

শেয়ার করুনঃ