
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরীকে মারধরের ঘটনায় ২টি মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) মোহাম্মদ আলীর ছোট ভাইয়ের ছেলে রোহান চৌধুরী বাদী হয়ে ডাকাতি ও দ্রুত বিচার আইনে পৃথক মামলা দুটি করেন। মামলায় ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৮/১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ পৌর কাউন্সিলর ইব্রাহীম মিয়া সুজনসহ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক আসামিরা হলেন- আখাউড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইব্রাহীম মিয়া সুজন, রবিন, মো. হিমেল, আশরাফুল, প্রীতম, মো. সাব্বির হোসেন ও রিয়াজ। আটক সবাই পৌরসভার বাসিন্দা। এর আগে বুধবার বিকালে পৌর শহরের সড়ক বাজারে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গত বুধবার বিকালে সড়ক বাজারের দরদী ফার্মেসির ভেতরে চেয়ারে বসে কথা বলছিলেন মোহাম্মদ আলী। এ সময় এক যুবক সেখানে এসে তার সঙ্গে অসদাচরণ করেন। পরে সুজন মিয়ার ভাই কয়েকজন যুবক নিয়ে সেখানে এসে মোহাম্মদ আলীকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তায় ফেলে মারধর শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
জানতে চাইলে মোহাম্মদ আলী চৌধুরী বলেন, আমি অসুস্থ। পরে কথা বলব। তার ছোট ভাই ফারুক মিয়া বলেন ২ মাস আগে আমার ছেলের সাথে পাড়ার একটি ছেলের ঝামেলা হয়েছিল। বিষয়টি পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা মিমাংসা করে দিয়েছেন। এর পর থেকে সুজন খারাপ আচরণ শুরু করে।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, ডাকাতি ও দ্রুত বিচার আইনে পৃথক দুটি মামলায় পৌর কাউন্সিলরসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা সবাই ওই দুটি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।