
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে হাবিবুর রহমান নামে এক কৃষকের ৬৫ শতাংশ জমির মাল্টা বাগান কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। কৃষক হাবিবুর রহমান উপজেলার গৌরিপুর ইউনিয়নের গিলাগাছা গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, গত ৮ বছর আগে স্থানীয় সুলতান মাহমুদের নিকট থেকে ২৮ হাজার টাকায় ৬৫ শতাংশ জমি লিজ নেন।
১০বছর মেয়াদে লিজ নেয়া জমিতে কৃষক হাবিবুর রহমান মাল্টা বাগান গড়ে তুলেন। হাবিবুর রহমান বলেন এ মালটা বাগান করতে তার ৬ লাখ টাকা খরচ হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে ৬৫ শতাংশ জমিতে ফলজ বাগান গড়ে তুলেন তিনি। এর মধ্যে ৪৫০ টি বারী ১ জাতের মালটা চাষ করেন। ইতিমধ্যেই কিছু গাছে মালটা ধরলেও বানিজ্যিক ভাবে এখনও বিক্রি শুরু হয়নি। তিনি আরও বলেন ২০২৪ সালে তার বাগানের শতভাগ গাছে ফল আসার সম্ভবনা ছিল। কিন্তু গত ১ ডিসেম্বর শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে কয়েক জন দুর্বৃত্ত দারালো দা কুড়াল দিয়ে কৃষক হাবিবুরের ৪৫০টি মালটা গাছ কেটে ফেলে।
হাবিবুরসহ প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান সুলতান ওরফে মাসুদুজ্জামান(৫০)পিতা মৃত মোহাম্মদ আলী। মোঃ মোসলে উদ্দীন (২৮) পিতা মৃত সুলতান আহমেদ খোকা। মোঃ সাজু মিয়া পিতা মৃত আব্দুল কাদির মাস্টার মোঃফেরদৌস (২৯) পিতা মোঃ আাসাদুজ্জামান মোঃসুলতান হোসাইন (৫৫) পিতা মৃত মোহাম্মদ আলী অতর্কিতভাবে মালটা বাগানে ঢুকে সমস্ত গাছ কেটে ফেলে। মোঃ হাবিবুর রহমান বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। এক পর্যায়ে প্রাণ নাশের হুমকি দিলে প্রান বাচাতে হাবিবুর সংঘাতে না জড়িয়ে আইনের আশ্রয় নেয়। তিনি ঝিনাইগাতী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় পারিবারিক শত্রুতার জের ধরে মালটা বাগানটি কেটে দেয়।