
গাজীপুরের টঙ্গীতে কোন ভাবেই কমছে মাদকের কারবার। মাদক কারবারে বিভিন্ন এলাকার ভেতর অন্যতম এলাকা হচ্ছে এরশাদ নগর ৪৯ নং ওয়ার্ড এলাকা।
বিগত দিনে স্থানীয় প্রশাসন এরশাদনগর এলাকা থেকে মাদকের ছোট বড় বহু চালান সহ বিভিন্ন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়।
তবে গ্রেফতারের পর জামিনে বের হয়েই পুনরায় শুরু করে মাদকের কারবার। এক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতারা প্রতিনিয়ত গ্রেফতার হলেও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থেকে যায় বড় ডিলার আর মদদ দাতারা, মাদক কারবারে বাধা দিয়ে শান্তিতে থাকতে পারেনি কেউ। মাদকের এই কারবার টিকিয়ে রাখতে একজোট হয়ে কাজ প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। বিগত দিনে মাদক কারবারে বাধা দিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে সাধারণ মানুষ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের একাধীক কর্মকর্তা।
গাজীপুরের টঙ্গীর অন্যতম একজন মাদক সম্রাজ্ঞী হচ্ছে রাশিদা বেগম। কোন বাধার সম্মুখীন না হয়ে দাপিয়ে মাদক বিক্রি করে গড়ে তুলেছে মাদকের সম্রাজ্য। নিজেকে আরাল রেখে প্রায় ১ দশক ধরে নির্দ্বিধায় গাজা, ইয়াবার ব্যবসা করে যাচ্ছেন এই রাশিদা। মাদকের টাকায় গড়েছেন ৩ তলা ভবন। ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থাকলেও গত ১২জানুয়ারি রাতে ১৪ কেজি গাজা সহ গ্রেফতার হন রাশিদা বেগম। এর পরই আলোচনায় উঠে আসে তার নাম।
স্থানীয়রা জানান ১ নং ব্লক এলাকার রবু মিয়ার স্ত্রী রাশিদা বেগম দীর্ঘ সময় ধরে মাদকের ব্যবসা করে যাচ্ছে, এদের কেউ প্রতিবাদ করলে এর চরম মাশুল দিতে হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, র্যাব ১ সদস্যরা কয়েক মাস আগে এরশাদ নগর বড় বাজার থেকে ৫০ কেজি গাঁজা সহ কয়েক জন মাদক কারবারি গ্রেফতার হয়, কিন্তু পালিয়ে যায় এই রাশিদা।
এরশাদনগর এলাকা কে মাদক মুক্ত করতে স্থানীয়রা দ্রুতই ১নং ব্লকের রাশিদা, ৩ নং ব্লকের স্মৃতি, ও ৫ নং ব্লকের লায়লা সহ সকল মাদক কারবারি কে গ্রেফতার এর দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে স্থানীয় ওয়াড কাউন্সিলর আমির হামজা বলেন, এলাকাবাসী তাদের পাশে থাকার জন্য আমাকে জনপ্রতিনিধি করেছে। কোন মাদক কারবারিদের এই এলাকায় ঠাই হবে না। এই এলাকা টি মাদক মুক্ত করতে সকল কে নিয়ে একযোগে কাজ করবো। আমি আশাবাদী স্থানীয় প্রশাসন মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহন করবে।