
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে উপসহকারী কৃষি ◌্অফিসার
মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে রবি শস্য উ পাদনে সরকারি কৃষি প্রণোদনার বরাদ্দকৃত বীজ ও সার বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এতে সরকারের মুল উদ্দেশ্য ভেস্তে গিয়ে উ পাদন ব্যাহত
হওয়ার আশংকা দেখা দিতে পারে। জনা যায়, বাংলাদেশের কৃষিখাতকে এগিয়ে নিতে সারা দেশে কিৃষি ◌্অফিসের মাধ্যমে বিভিন্ন সশ্য চাষ করে উ পাদন বাড়ানোর জন্য কৃষকের মাঝে খরিপ ও রবি মৌসুমে ধান গমসহ বিভিন্ন সশ্য বীজ উপজেলা উপসহকারী কৃষি ◌্অফিসারের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়। কৃষি ◌্অফিমারদের ভাষ্য ‘কৃষি র্কাড থাকলেই সে কৃষক।
নারী বা পুরুষ যেই হোক না কেন তাতে কোন সমস্যা নেই।’ কিন্তু একই ব্যক্তিকে বার বার সার বীজ দেওয়া হচ্ছ এবং একাধিক কৃষি র্কাড এবং একই পরিবারে ৮ সদস্যদের নামে কৃষি বীজ সার বিতরণ করা হয়েছে। কিছু অসাধু কৃষি র্কমর্কতাদের সহযোগিতায় এমন র্কমকান্ড চলছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় চাষীরা।
চাষীদের অভিযোগ, এক আইডি নাম্বার দিয়ে কৃষি র্কাডের
মাধ্যমে একাধিক নাম ব্যবহার করে কৃষি প্রণোদনার বীজ ও
সার দেওয়া হচ্ছে। যার কারণে প্রকৃত চাষীরা এসব সুবিধা
পাচ্ছেন না। এতে লাভবান হচ্ছে সুবিধাভোগী অসাধু একাধিক কৃষি র্কাডধারী ব্যক্তিরা। অন্যদিকে, সরকারি কৃষি প্রণোদনার মূল উদ্দেশ্য কম খরচে শস্য উ পাদন ব্যহত হচ্ছে।
তারা দাবি করেন, আগে প্রণোদনার বীজ ও সার দেয়ার
ক্ষেত্রে যাচাই বাছাইয়ের সুযোগ থাকলেও তা না করেই
র্বতমান কৃষি র্কমর্কতা মোস্তাফিজুর রহমান এভাবেই চালিয়ে যাচ্ছেন বিতরণ র্কাযক্রম। নিয়ম অনুযায়ী একটি পরিবারের র্কতার নামে একটি কৃষি র্কাড প্রযোজ্য। কিন্তুপরিবারের র্কতার পরির্বতে একই পরিবারের নারী-পুরুষ সকল সদস্যকে প্রান্তিক কৃষক ও চাষী বানিয়ে এসব প্রণোদনার সার ও বীজ দিচ্ছেন। আবার এক আইডি নাম্বারের কৃষি র্কাড ব্যবহার করে একই ব্যক্তির ভিন্ন ভিন্ন নামে হয়েছে। এ ভাবেই সার ও বীজ উত্তোলন করা হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উপজেলার সিংড়া ইউপির প্রণোদনার সুবিধাভোগী হয়েছেন ৮ ব্যক্তি।তারা মুলত কৃষক নন।
তারা হলেন,নজিবর রহমান, পিতা সোলায়মান,আলী,বাবু
মিয়া পিতা মহির উদ্দিন, হানিফ পিতা ইয়াকুব গ্রাম
রামেশ্বরপুর,দেব দাস পিতা গৌরাঙ্গ,বিদ্যু গ্রাম শেখালী
পাড়া,মতিন পিতা উমর আলী,বাবুমিয়া পিতা মহির উদ্দিন। শুধু তাই নয় কৃষি র্কমর্কতারা র্দীঘ বছর যাবঃ এই উপজেলায়র্কমরত থাকায় তারা স্বজন প্রীতি করে নিজস্ব লোকদের সার ও বীজ দিয়ে থাকেন। ১০০ ব্যক্তির মধ্যে ৭৫ জনই কৃষক