শেরপুরের বন্যা পরিষ্হিতি অবনতি টানা বর্ষন ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

এম শাহজাহান মিয়া ঝিনাইগাতী শেরপুর প্রতিনিধিঃ শেরপুরে গত ক’দিনের অবিরাম বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আশা পাহাড়ি ঢলের পানিতে জেলার ৫টি উপজেলায় ৭০ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জানা গেছে ভোগাই চেল্লাখালী সোমেশ্বরী,মহারশী ও কালঘোষা নদীর উপর দিয়ে উজান থেকে নেমে আশা পাহাড়ি ঢলের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে । পানির তোড়ে বাগেরভিটা চাপাতলী ব্রীজটি হুমকির সম্মুখিন হয়ে পরেছে। । ঢলের পানির তোড়ে মহারশির নদীর বিভিন্ন স্হানে বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। দীঘিরপার বন্যানিয়ন্ত্রন বাধ ভেঙ্গে ফসলী জমিতে বালুর স্তর পরেছে। রামের কুড়া বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে উপজেলা পরিষদ চত্বর ২থেকে ৩ফুট পানির নিচে তলীয়ে যায়। ব্যাহত হয় প্রশাসনিক কর্মকান্ড। গৌরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মন্টু বলেন,তার ইউনিয়নের ৫/৬টি গ্রামের মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। তিনি জানান রামনগর এলাকায় পানির তোড়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে ফসলি জমির উপর বালুর স্তর পরে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে ঢলের পানিতে তলিয়ে অর্ধশতাধিক পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। ঝিনাইগাতী বাজারের ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোকলেছুর রহমান খান বলেন ঢলের পানি বাজারে প্রবেশ করে ব্যাবসায়ীদের প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার মালামালের ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফারুক আল মাসুদ বলেন ঢলের পানিতে তেমন কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বৃষ্টি বন্ধ হলে পানি নেমে যাবে। তিনি বলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তালিকা প্রনয়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং কর্ম পরিকল্পনা হাতে নেন বলে জানা গেছে।