মুক্তাগাছায় অপরাধীদের আতঙ্কের নাম ওসি তদন্ত চাঁদ মিয়া

27

আনোয়ার সাদত জাহাঙ্গীর,ময়মনসিংহ থেকেঃ

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার মাদক ছিনতাই সন্ত্রাসী,ভূমিদস্যু,জুয়ারী,বখাটে এবং কিশোর গ্যাং এর নিকট মূর্তিমান আতঙ্কের হয়ে উঠেছেন ওসি (তদন্ত)চাঁদ মিয়া। তিনি মুক্তাগাছা থানায় যোগদানের পর থেকে একের পর এক চিহ্নিত মাদকসেবী ও তালিকা ভুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতারে এবং স্বচ্ছতা সহিত তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে মিথ্যা ও হয়রানি মোলক মামলা থেকে নিরীহ মানুষদের রক্ষা করে দেখিয়েছেন সাফল্য। আর যার কারণে মুক্তাগাছা থানা এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সর্বদাই স্বাভাবিক রয়েছে।
মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার পুলিশ হবে জনতার এই প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নে স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত পুলিশি সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে কাজ করছেন মুক্তাগাছার তদন্ত ওসি চাঁদ মিয়া।
মুক্তাগাছা এলাকায় কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার মধ্যেই সকল আসামিসহ অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট আলামত উদ্ধারের অনেকগুলো ঘটনা রয়েছে। সম্প্রতি কালে ডাকাতি হওয়া মালামালসহ আসামিদের আটকের ঘটনা রয়েছে বেশ কয়েকটি। করোনা কালীন মহামারি সময়ে সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মানাতে উৎসাহিতকরা এবং লক ডাউনে অসহায় মানুষদের জন্য খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করা সহ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত রোগীর দাফন করা থেকে শুরু করে মানবিক সকল কাজ নিরলস ভাবে পালন করেছেন তিনি।
সূত্র জানায়,মুক্তাগাছা থানার ওসি (তদন্ত) চাঁদ মিয়া গত ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০২১তারিখে যোগদান করেন। এর আগে ময়মনসিংহের ধোবাউরায় থানায় তদন্ত হিসাবে প্রায় দেড় বছর ,ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় ওসি ইন্টেলিজেন্ট ও কোতোয়ালী মডেল থানার অন্তর্ভুক্ত ১নং ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ হিসাবে প্রায় ১১মাস সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন ছাড়াও ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানায় সেকেন্ড অফিসার হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠা এবং সুনামের সাথে তার ওপর অর্পিত দায়িত্বভার পালন করেছেন। যে কারণে সেসব থানা এলাকার মানুষের কাছে আজও তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন।
মুক্তাগাছা থানায় যোগদানের পর অনেক সময় তো অপরাধীরা অপরাধ সংগঠনের প্রস্তুতির পূর্ব মূহুর্তেই হাতে নাতে আটক হয়েছেন তদন্ত ওসি চাঁদ মিয়ার দূরদর্শিতায়। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রেখে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পেছনে ছিল তার ব্যাপক পরিশ্রম। এর আগে কখনো কেউ নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে আবার তা ফিরে পাবেন এমনটা আশা একদমই করতেন না। ওসি তদন্ত চাঁদ মিয়া বিপরীত ধর্মী সফলতা দেখিয়েছেন এই হারানো বা চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে।
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে চাঁদ মিয়ার নেতৃত্বে গত কয়েক মাসে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার ও সাজা প্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় এনে মাদক নির্মুলে ভূমিকা রেখেছেন।এছাড়াও যোগদানের পর তিনি থেকে যে কোন মামলা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে রুজু কারেন।এ জন্যে থানা এলাকাতে পুলিশের প্রতি বিরূপ ধারণা থেকে বেড়িয়ে এখন সাধারণ মানুষ তাদের সকল সমস্যায় নির্ভয়ে থানায় আসেন এবং সরাসরি কথা বলেন।
পুলিশ জনগণের বন্ধু তার প্রমাণ করে দিয়ে
মুক্তাগাছা থানার আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় উপজেলাবাসীর কাছে বেশ আলোচনার স্থান দখল করে নিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন,সন্ত্রাসী,ভুমিদস্যু,ইভটিজার এরা সমাজের শত্রু। অপরাধীদের প্রতি কোনো প্রকার নমনিয়তা আমার নেই। তারা যত শক্তিশালী হোক না কেনো আইনের আওতায় এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবেই। পুলিশ হচ্ছে জনগণের সেবক। আমাদের কাজ নিরলস ভাবে জনগণের সেবা প্রদান করা। সাধারণ মানুষের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ এখন আগের চাইতে অনেক বেশি দক্ষতা এবং দ্রুততার সাথে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, জেলা পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান এর নির্দেশনা মোতাবেক থানার ওসি স্যারের নেতৃত্বে মুক্তাগাছা থানা এলাকাকে অপরাধ ও মাদকমুক্ত রাখতে সকলের সম্মিলিত চেষ্টা থাকতে হবে। মুক্তাগাছা এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুন্দর রাখতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ, সমাজকর্মী এবং সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন ওসি তদন্ত চাঁদ মিয়া।