ইঞ্জিনিয়ার শওকত ওসমানের নামে স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

গত ২৩,২৪,২৭, ২৮ ও ২৯ জুন সিরাজগঞ্জ থেকে কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, মনগড়া ও ষড়যন্ত্র মুলক সংবাদগুলো আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সিরাজগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দোলনচাঁপা পত্রিকায় গত ২৪ জুন চাকরির নিয়োগ বাণিজ্যসহ উল্লাপাড়ায় ১২ বছরেই শত কোটি টাকার মালিক এমপির পি এস শওকত ওসমান। পত্রিকাগুলোতে নিজেদের মনগড়া বক্তব্য প্রচার করে একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। প্রতিবেদন গুলো বলা হয়েছে – উল্লাপাড়ার সাতবিলা দাখিল মাদ্রাসা এমপিও ভুক্তির নামে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এমপির পিস শওকত ওসমান। ২৯ জুন একই পত্রিকায় প্রকাশিত উল্লাপাড়ার পৌর ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাঃসম্পাদক নির্বাচনে শওকতের ২ কোটি টাকার বাণিজ্য শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ গুলো আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক যোগসাজশে আমার নামে মিথ্যা, ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করেছে। যা নীতি বহির্ভূত কাজ। পত্রিকাগুলোতে ভুল তথ্য সরবরাহ ও নিজেদের মনগড়া বক্তব্য দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
বাস্তবতার সাথে এই সংবাদের কোনো যোগ সুত্র ও সত্যতা নেই। প্রকাশিত সংবাদগুলোতে আমার বক্তব্য না নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবেদনে আমাকে ১২ বছরে শত কোটি টাকার মালিক দেখানো হয়েছে, যা রীতিমতো হাস্যকর!! আমি উল্লাপাড়ার সলপ ইউনিয়নের জনগণের প্রত্যক্ষ বিপুল ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি। আমার বাবা এই এলাকার সর্বময় শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ছিলেন। এলাকায় তার ব্যাপল সুনাম রয়েছে। আমিও আমার পরিবার আমার বাবার রেখে যাওয়া সুনাম অক্ষুন্ন রাখার জন্য কাজ করছি।

সরকারি ভাবে আমি উপজেলার একটি বালু মহাল টেন্ডারের মাধ্যমে গত ২২ বছর ধরে সরকারি নিয়ম মেনেই বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছি। আমি কোন সুদের ব্যবসা, টেন্ডার বাজি, চাকুরির তদবির, নিয়োগ বাণিজ্য, দলীয় কমিটি গঠনে টাকা পয়সা গ্রহণ করিনি। কারো জমি দখল ও সরকারি কোনো ধরনের প্রকল্পের অনিয়ম, দুর্নীতি করিনি। উপজেলার সরকারি পুকুর জল মহলে আমার কোন হাত নেই। উল্লাপাড়ার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমি শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে কোনোভাবেই জড়িত নেই।
সংবাদ গুলো মিথ্যে ও বানোয়াট। পত্রিকায় উল্লেখিত সকল সংবাদ মনগড়া, ভুল তথ্যে ভরপুর।
নির্বাচনে চেয়ারম্যান, মেম্বার নমিনেশন দেয়ার নামে টাকা নেয়ার তথ্য মিথ্যা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশ প্রহরী নিয়োগের করেছে সরকারি নিয়ম মেনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। টি আর, কাবিখা বিষয়েও ভুল তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। সাবেক মেয়র বিএনপির বেলাল হোসেনের সাথে লেনদেন সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি এতে কোনোভাবেই জড়িত নই৷ এখানে বক্তব্য ও স্বাক্ষীর বক্তব্য নেই। সংবাদ গুলোতে প্রকৃত তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। আমি বিগত ৩ বছর ধরে এমপির পিএস নেই। আমাকে জড়িয়ে ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে।
উল্লাপাড়ার সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম এমপি মহোদয় অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এ উপজেলায় ২ মেয়াদে সফল সংসদ সদস্যের দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন। উল্লাপাড়ায় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন এমপি মহোদয়। তিনি এ উপজেলা থেকে সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি দমন করে অনেক ভৌগোলিক অঅবকাঠামো উন্নয়ন করেছেন। আমি অনিয়মের সাথে কোনোভাবেই জড়িত নেই, দুর্নীতির কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
সংবাদ গুলোর তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সকল জনগণ কে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

প্রতিবাদ কারীঃ

ইঞ্জিনিয়ার শওকত ওসমান
চেয়ারম্যান,
সলপ ইউনিয়ন পরিষদ
উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।