শৈলকুপায় খাওয়ার অনুপযোগী চাউল ঘরবন্দী মানুষের মাঝে বিতরণ

মোঃ ইনছান আলী ব্যুরো চীফঃ খুলনা:ওয়াবদা গেটের চা বিক্রেতা কোর্টপাড়ার বাসিন্দা খোরশেদ আলম বাবলু। লকডাউনে নিন্ম আয়ের ঘরবন্দীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে গত বুধবারে উপজেলা প্রশাসন থেকে পেয়েছেন ১০ কেজি চাউল ও ২শত টাকা। তার অভিযোগ নষ্ট নিন্মমানের খাওয়ার অনুপযোগী চাউল দেওয়া হয়েছে তাদের। বাড়ির কবুতরও খাচ্ছে না এ চাউল। শুধু বাবলু না পশু হাসপাতাল রোডের দাস পাড়ার বাসিন্দা বিষু জানান, তাদেরও দেওয়া হয়েছে নিন্মমানের চাউল যা অভাবে পড়ে কষ্টে খেতে হচ্ছে। ঘটনাটি গত বুধবার ঝিনাইদহের শৈলকুপায় চা বিক্রেতা ও সেলুন কর্মীদের মধ্যে সরকারী চাউল বিতরনে। এদিনে ৬শ’ নিন্ম আয়ের ঘরবন্দী মানুষের মধ্যে চাউল বিতরন হয় বলে জানা যায়। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা লিজার সাথে কথা হলে তিনি জানান, সরকারী ভাবে যে চাউল বিতরন করা হয় তা সরকারী গুদাম থেকে আসে। বিতরনের সাথে সাথে তিনি নিন্মমানের চাউলের অভিযোগ পান। পরে খোঁজ নিয়ে দেখেন ৩০/৪০ বস্তা এমন চাউল এসেছিল। বাকী চাউল বিতরন তিনি বন্ধ করে দেন। গুদাম থেকে দেওয়ার সময় দেখে দেওয়া উচিত ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবে যারা এমন নিন্মমানের চাউল পেয়েছেন তাদের পূনরায় চাউল দেওয়া হবে বলে জানান।শৈলকুপা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদ আল রিপন জানান, গত একমাস আগে হড়িণাকুন্ডু উপজেলা গুদাম থেকে ২শত টন চাউল এসেছিল, তার মধ্যে দুই পাঁচ বস্তা নিন্মমানের চাউল থাকতে পারে বলে জানান। তবে শৈলকুপায় চাউল বিতরনে সাবাই যে নিস্মমানের চাউল পেয়েছে তা ঠিক না। হয়তো দুই এক বস্তা ভূলবসত যেতে পারে বলে স্বীকার করেন।লকডাউনে নিন্মমানের চাউল বিতরনে ক্ষোভ প্রকাশ করে শৈলকুপা সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ঝিনাইদহ জেলা কমিউনিষ্ট পার্টির সাধারস সম্পাদক স্বপন কুমার বাগচী বলেন, যে সব কর্মকর্তা এমন নিন্মমানের চাউল সরকারী গুদামে ক্রয় করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এমন ঘটনায় সরকারের ভাবমূর্থী নষ্ট হয় বলে তিনি জানান।