জমে উঠেছে মোংলা বন্দর  সিবিএ নির্বাচন  আলোচনায় এনামূল  হক

39

মোংলা প্রতিনিধি:

জমে উঠেছে দক্ষিনাঞ্চলের সর্ববৃহৎ সিবিএ সংগঠন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারীদের দ্বি বার্ষিক নির্বাচন। প্রায় সাড়ে ৮’শ কর্মচারীদের এই নির্বাচনে তিনটি প্যানেল আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তবে পৃথক এ তিনটি প্যানেলের মধ্যে নাসির মৃধা-পল্টু পরিষদের কার্যকারী সভাপতি পদে প্রথমবার নির্বাচন করছেন ট্রাফিক বিভাগের সিনিয়র আউটডোর এ্যাসিসেন্ট মোঃ এনামুল হক। আর তাতেই সাধারণ ভোটারদের মাঝে সরব আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি। 

আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে সামনে রেখে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগের মোঃ এনামুল হক কাঁক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটার দ্বারে দ্বারে ছুটছেন। সৎ ও আদর্শবান হিসেবে পরিচিত এই প্রার্থী ভোটারদের দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রæতি। যা ভোটারদেরও আকৃষ্ট করছে। বন্দরের কর্মচারীরাও এমন প্রার্থীকে পেয়ে দারুন খুশি। তারা বলছেন, তাকে নির্বাচিত করতে আমরাও পরিশ্রম করছি। 

মোঃ এনামুল হকের দুই প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী মুশফিকুর রহমান ও হারুন অর রশীদের কাছ থেকে হয়রানি ছাড়া কর্মচারীদের উপকার মেলেনি উল্লেখ করে বন্দরের ট্রাফিক বিভাগের রেজানুর রহমান খাঁন, মোঃ শহিদুজ্জামান, সিদ্দিকুর রহমান, হাইড্রোগ্রাফিক শাখার নাজিরুল ইসলাম, সিভিল ও হাইড্রোলিক শাখার আবুল হোসেন, অর্থ ও হিসাব বিভাগের শরিফুল ইসলাম, আসাদ সর্দার, হারবার বিভাগের আঃ আলিম, মহামদুল্লাহ, মোশারেফ হোসেন, যান্ত্রিক ও তড়িৎ বিভাগের আনিসুর রহমান, রেজাউল করিম, প্রশাসন বিভাগের মিজানুর রহমান, নাসিমা আক্তার, জাহাঙ্গীর আলম ও মেডিক্যাল বিভাগের ফরহাদ হোসেন বলেন-এনামুল হক কর্মচারী বান্ধব সাদা মনের মানুষ। তার কাছ থেকে সব সময় যেকোন সমস্যার সমাধানসহ উপকার খুঁজে পাই। তাকে বাদ দিয়ে অন্য কোন প্রার্থীকে ভাবতে পারিনা। ১৭ তারিখ এনামুল হকের কলম প্রতিকে ভোট দিয়ে জয়লাভ করে আমরা ঘরে ফিরবো বলেও জানান তারা। 

প্রার্থী এনামুল হক বলেন, কর্মচারীদের অনুরোধে আমি প্রার্থী হয়েছি। যেহেতু নির্বাচন করছি এবং তারা আমাকে ভোট দিবে তাদের এই আমানত আমি কর্মের মাঝে পরিষোধ করবো। দলমত নির্বিশেষে এবং আঞ্চলিকতার উর্দ্ধে থেকে সকলকে সাথে নিয়ে কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার আদায়সহ বন্দরের চলমান উন্নয়নে সহযোগিতা করে সরকারের ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে সহযোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাবেন বলেও জানান তিনি। 

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •