কয়রার বেজপাড়া মাদ্রাসায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান

71

কয়রা খুলনা প্রতিনিধি মোক্তার হোসেন : কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের বেজপাড়া হায়াতুন্নেসা দাখিল মাদ্রাসায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চলছে বলে জানা গেছে সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনটির ছাদ ভেঙে শিক গুলো বের হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় ছাদ চুয়ে পানি পড়ে। মেঝেতে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। অনেক কক্ষের দরজা-জানালাগুলো মরীচিকা পড়ে গেছে ।ফলে সব সময় দুর্ঘটনার আতঙ্কে থাকেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

 

 ভবনটি এতই ঝুঁকিপূর্ণ যে ,মাঝে মধ্যে- পাঠদানের সময় ছাদ থেকে বড় বড় স্তুপ ভেঙে পড়ে ।যাহা জীবন নাশের হুমকির সম্মুখীন হয়ে থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠিয়ে আতঙ্কে থাকেন অভিভাবকরাও ।দীর্ঘদিন ভবন সংস্কার না হওয়ায় অভিভাবকরা তাদের সন্তানকে ভর্তি করাতে চাচ্ছেন না। ফলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে।

মাদ্রাসার দাখিল দশম শ্রেণীর ছাত্র আশরাফুল আলম জানান ,তার শ্রেণীকক্ষের ছাদ খুবই নাজুক অবস্থা ।ছাদ ভেঙ্গে বড় বড় স্তুপ পড়ে। যা জীবন নাশের উপক্রম।তাই মাদ্রাসায় আসতে ভয় করে। একই কথা জানালো অন্য শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা।

মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী শিক্ষক জনাব আব্দুস সালাম সাহেব জানান, আমার চাকুরি জীবনে এমনিভাবে দীর্ঘবছর ঝুঁকিপূর্ণভাবে পাঠদান করে আসছি। জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই।ছাদ ভেঙ্গে বড় বড় স্তুপ পড়ে ।সংস্কারের পদক্ষেপ আজও পর্যন্ত দেখিনি ।বিধায় অতি জরুরীভাবে সংস্কারের প্রয়োজন।।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার জনাব আজহারুল ইসলাম সাহেব জানান, মাদ্রাসার ভবন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সে কারণে শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসায় আসতে চায় না ।জরুরিভাবে সংস্কারের দাবি জানিয়ে, তিনি আরো বলেন ,শিক্ষার মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা না হলে শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা বিমুখ হবে এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।সূতরাং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি এই মুহূর্তে সংস্কারের প্রয়োজন।মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জনাব মার্জন ঢালী জানান, ভবনটি এই মুহুর্তে

 সংস্কার না করে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে রাখা সম্ভব নয়। ছাদ ভেঙ্গে পড়ে যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে ।তিনি আরো বলেন এ ব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও কোনো প্রতিকার পাইনি। এমতাবস্থায় মাদ্রাসার ভবন সংস্কারের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •