শৈলকূপা ঝিকঝাক ইট ভাটার মালিক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা

14

মোঃ ইনছান আলী
জেলা প্রতিনিধি ঝিনাইদহ:

শৈলকূপা ১২ নং নিত্যান্দনপুর ইউনিয়নের রঘুনন্দন পুর গ্রামের ঝিকঝাক ইট ভাটার মালিক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় ঝিকঝাক ইট ভাটার মালিক খাইরুল মোল্যা দীর্ঘ দিন ধরে প্রতারণার আড়ালে তারই আপন মামা একসময় কার হক গুরুফে নেতা মান্নান মেম্বার এর সাথে নিয়ে ঝিকঝাক নাম দিয়ে রঘুনন্দন গ্রামে ইটের ভাটা পরিচালনা করে আসছিলেন।কিন্তু হটাৎ করে মানুষের বকেয়া দেনা অথবা দাদনের ইট কাঠের খড়ি কয়লার বিল লেবারের বিল পরিশোধ না করেই গোপনে শাহীন নামের একজনের কাছে ইট ভাটা বিক্রি করে পালিয়ে যায়। এখন পাওনা দার দ্বারে দ্বারে ঘুরছে কিন্তু কোন বিচার পাচ্ছে না। এলাকার বাসিন্দারা জানান খায়রুল মোল্ল্যা এক সময়কার বিএনপির একজন নেতা ও প্রতারক তিনি তার নিজের মামাএক সময়ের হক গুরুফের নেতা ও বিএনপির কর্মী এখনকার সময়ের আওয়ামী লীগের কর্মী মান্নান মেম্বার ক্ষমতা বলে গরীব অসহায় মানুষের টাকা না দিয়ে ভাটা শাহীন নামের একজন কাছে বিক্রি করে পলাতক রয়েছে। লিয়াকত আলী নামে একজন পাওনাদার বলেন আমি এই ভাটায় ইট নেওয়ার জন্য অগ্রীম টাকা দিই এখন আমার টাকাও নাই ইট ও নাই।
আমি খাইরুল মোল্যাকে এখন কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না।আমি অনেক জায়গায় খোজার পরে জানতে পারলাম যে খায়রুল মোল্ল্যা তার সন্তাসী মামার ঝিনাইদহ পবহাটির বাসায় আছে তখন আমি পবহাটির বাসায় গিয়ে দেখি খায়রুল মোল্ল্যা মান্নান মেম্বারে আশ্রয়ে আছে আমার কথা শোনার পরে মান্নান মেম্বার তার অন্য ভাড়াটিয়া দিয়ে আমাকে তাড়ীয়ে দেয়। আমি ভয়ে তখন চলে আসি শুধু আমি ই নয় শত শত মানুষের টাকা হাতিয়ে নিয়ে খাইরুল মোল্ল্যা তার মামার আশ্রয়ে আছে কিন্তু ভয়ে কেহ কিছু বলতে সাহস পাচ্ছে না।
খুলনা নওপাড়ার একজন কয়লা ব্যবসাহী জানান আমি খাইরুল মোল্ল্যাকে এক জায়গায় থেকে প্রায় ১৮ লাখ টাকা কয়লা নিয়ে দিয়াছি।এবং সে আমাকে ১৮ লাখ টাকার সোনালি ব্যাংক হাটফাজিল পুর বাজার শাখার চেক দিয়াছে কিন্ত ব্যাংক বলছে তার একাউন্টে কোন টাকা নাই। আমি যার কাছ থেকে কয়লা নিয়ে দিয়াছি তার ভয়ে আমি বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। এখন কোথায় যাব কি বুঝতে পারছি না।
খোজ নিয়ে জানা যায় এই খায়রুল মোল্লা ঝিনাইদহ পবহাটি গ্রামের মান্নান মেম্বার এর বাড়ি তে আছে আমরা সাংবাদিক বৃন্দ মান্নান মেম্বারে বাড়িতে গেলে জানতে পারি মান্নান মেম্বার মাসে ৪ দিন এই বাড়িতে আসেন এবং তার ভাগ্নে এই বাসায় থাকে বাড়ির ভাড়াটিয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন বলেন তার ভাগ্নে এই বাসায় থাকে কেউ আসলে বলবে না। এবং আমার বাসায় কারা কারা যাতায়াত করে কাউকে কিছু বলা যাবে না। তখন আমরা বাড়ির ভাড়াটিয়া কে বলি যে মান্নান মেম্বার কে একটু ফোন দেন তখন তিনি ফোন দিয়ে বলেন যে আপনার ভাগ্নের ব্যাপারে সাংবাদিক আসছে উপার থেকে এক সময়কার হক গুরুফে নেতা মান্নান মেম্বার বলেন সাংবাদিক দের এখানে কাজ কি আমার ভাগ্ননের নামে যদি কোন মামলা থাকে পুলিশ তাকে খুজবে তাহাতে সাংবাদিক কেন।তাদেরকে বলো সে এখানে থাকেনা।তারা ( সাংবাদিক যেন আর না আসে) একটু হুমকি দিয়েই কথা বলেন মান্নান মেম্বার। পরে মান্নান মেম্বার কে সাংবাদিক পরিচয়ে ফোন দিলে তিনি বলেন আমি গ্রামের বাড়িতে আছি আমার ভাগ্নের সাথে যোগাযোগ করে আপনাদের কে জানাবো। তারই পাশের বাড়ির একজন বলেন এই খাইরুল মোল্যা মানুষের টাকা আর্তসাত করে কিছু দিন আগেও তার এক ভাতিজা কে বিয়ে দিয়েছেন প্রায় ৫০ লাখ লাখ খরচ করে ছেলেকে চাকরি দিয়েছেন বে- সরকারি ব্যাংকে তার এখনো অনেক টাকা আছে ইচ্ছা করলে সে সবার টাকা দিয়ে দিতে পারেন কিন্তু তার একমাত্র শক্তি তার মামা মান্নান মেম্বার।
পরে জানা যায় এই খায়রুল মোল্ল্যার নামে ৮/৯ টা মামলা চলমান সব মামলায় তাকে পলাতক দেখিয়ে তদারকি করেন তার মামা মান্নান মেম্বার। এই বিষয়ে অভিযুক্ত খায়রুল মোল্ল্যার সাথে যোগাযোগ করতে গেলে তার মোবাইলে বার বার ফোন করে পাওয়া যায় নাই। এলাকার বাসী দাবী সাংবাদিক দের মাধ্যমে প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি খাইরুল মোল্যা ও মান্নান মেম্বার এর খুটির জোর কোথায়। এই খাইরুল মোল্ল্যা ও তার মামা মান্নান মেম্বার এর তথ্য সংগ্রহ চলছে আমাদের সাথে থাকুন পর্ব (১) পরে আরো জানতে পারবেন পর্ব (২)।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •