শৈলকুপায় কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কোটি টাকা নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ

3

মোঃ ইনছান আলী জেলা প্রতিনিধি ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ মিঞা জিন্নাহ আলম ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কলেজ স্থাপিত হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়ম জেকে বসেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে। নিয়োগ বানিজ্য, শিক্ষক অসন্তোস, কর্মচারী বিভেদ, অধ্যক্ষের একক আধিপত্য বিস্তার, সেসন ফি’র টাকা, আয়-ব্যয় হিসাবে গড়মিলসহ অভিযোগের অন্ত নেই কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে।তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সুদীর্ঘ ২৬ বছর অধ্যক্ষের দায়িত্বপালন করছেন জনাব তরিকুল ইসলাম। ফলে একক আধিপত্য বিস্তার করে কলেজের বিভিন্ন আর্থিক খাতসহ লাখ লাখ টাকা নিয়োগ বাণিজ্যে সুযোগ লুফে নিয়েছেন। সম্প্রতি কলেজে ৬ জনের নিয়োগ দিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার লিখিত অভিযোগ পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে উক্ত কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের খবরা খবর। কলেজের একদল শিক্ষার্থী গাড়াগঞ্জ মিঞা জিন্নাহ আলম ডিগ্রি কলেজের ছাত্র পরিচয় দিয়ে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে ‘অবৈধ ভাবে ব্যাক ডেটে শিক্ষক নিয়োগ তদন্ত প্রসঙ্গ’ বিষয়ে একটি অভিযোগ পত্র দাখিল করে। তাদের অভিযোগ অধ্যক্ষ জনাব মোঃ তরিকুল ইসলাম ২০০৫ সালের পূর্বে তাদেরকে যোগদান দেখিয়ে অত্র কলেজে নিয়োগ দান করেন। বিষয়টি নিয়ে কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। কলেজটিতে শ্রী মৃত্যুঞ্জয় কুমার চাকীকে টাকার বিনিময়ে উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন বিষয়ে ব্যাক ডেট দেখিয়ে নিয়োগ দিয়ে বেতন অনুমোদন করেছে । বিষয়টি সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে শিক্ষক হাজিরা খাতা ও কলেজর শিক্ষকদের বেতন ভাতার হিসাব তদন্ত করিলে ঘটনার প্রকৃত সত্যতা বেরিয়ে আসবে। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মোঃ তরিকুল ইসলাম জানান, ৬ জন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কোন শিক্ষক নিয়োগ দেয়নি, অভিযোগের সত্যতা নেই। তবে ব্যাকডেট নিয়োগ এবং রেজুলেশন খাতা দেখানোর বিষয়টি তিনি এড়িয়ে জান।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •