প্রচারবিমুখ এক সমাজসেবী আলেম ‘মুফতী আজিজুল্লাহ’

73

চুয়াডাঙ্গা সদর প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গা জেলা উলামা পরিষদের সুযোগ্য সভাপতি মুফতি জুনাইদ আল হাবিবী এর নেতৃত্বে নিরবে নিভৃতিতে  আর্ত মানবতার সেবায় সেচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ আলেম  মুফতী আজিজুল্লাহ।

মাদরাসায় হাদিস পড়ানো ও মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি তিনি বিনামূল্যে রক্ত ব্যবস্থা করে দিতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেয করে চুয়াডাঙ্গা শহরের সদর হাসপাতালসহ আশপাশের ক্লিনিক গুলোতেও খোঁজ রাখেন, করো রক্ত প্রয়োজন হলে ম্যানেজ করে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। তারই ধারাবাহিকতায়  ভালাইপুর হামিরন নেছা আদর্শ মাদরাসার শিক্ষক মুফতী জহুরুল এর  স্ত্রীর জন্য রক্তের বিশেষ প্রয়োজন হলে  তিনি অসহায় অবস্থায় পড়েন ঠিক এই মুহূর্তে মুফতী জুনাইদ আল হাবিবী এর নেতৃত্বে তার বিশেষ কর্মী পৌর সভাপতি মুফতী আজীজুললাহ সাহেব সাহায্যের জন্য ছুটে যান এবং রক্তের ব্যবস্থা করেন। এমন ঘটনা নিত্য দিনের বললেন মুফতি আজিজুল্লাহ। 

তিনি বলেন রক্ত দিলে, রক্ত বাড়ে । তবু অনেকে ভয় পান রক্ত দিতে। রক্তের অভাবে বহু লোক অকালে প্রাণ হারান।

এক ব্যাগ রক্ত কারও হাতে তুলে দেওয়ার পর সে মানুষটির মুখে যে কৃতজ্ঞতা আর পরিতৃপ্তির ছাপ দেখা যায়, তা অকৃত্রিম। এ এক পরম সহানুভূতি, আর আল্লাহর জন্যেই আমরা এই সেবা করে যাচ্ছি আলহামদুলিল্লাহ। 

তিনি আরও বলেন বাংলাদেশে এখন বছরে ৬ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন৷ এর ৯০ ভাগই পাওয়া যায় স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের কাছ থেকে৷ তাই পেশাদার রক্তদাতাদের দৌরাত্ম অনেকটাই কমে গেছে৷

তাছাড়া রক্ত কেনা বেচা শরিয়তের দৃষ্টিতে হারাম, কিন্তু মানুষ জীবনের তাগিদে কিনতে বাধ্য হচ্ছে,তাই চুয়াডাঙ্গা জেলা উলামা পরিষদ এর তত্বাবধানে আমরা একটি ব্লাডব্যাংক করার ইচ্ছে করেছি অচিরেই বাস্তবায়িত হবে ইনশাআল্লাহ। 

এব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা জেলা উলামা পরিষদ এর সভাপতি মুফতি জুনাইদ আল-হাবীবী বলেন দিনে দিনে যেভাবে রক্তের চাহিদা বাড়ছে, রক্তদাতা না বাড়লে মানবিক সংকট দেখা দিতে পারে। তাই সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা রক্তদানের মতো কর্মসূচি শুরু করছি। জানা গেছে  যেসব রোগীর নিয়মিত বা প্রায় প্রতিদিন রক্তের প্রয়োজন হয়, তাঁদের রক্ত সংকট এখনো আছে৷ যেমন, থ্যালেসেমিয়া রোগী৷ আবার সড়ক দুর্ঘটনাসহ নানা দুর্ঘটনার শিকার যাঁরা হন, তাঁদের তাৎক্ষণিকভাবে রক্তের প্রয়োজন হয়৷ এর সুযোগ নেয় ওইসব ব্লাড ব্যাংক ও পেশাদার রক্তদাতারা৷ কিন্তু তাদের রক্ত জীবন বাঁচানোর পরিবর্তে জীবন বিপন্নের কারণ হতে পারে বলে মনে করেন ডাক্তাররা  তাই পরিবারের সদস্যদের জন্য অন্য সদস্যদের রক্ত দেয়ার আগ্রহ যত বাড়বে ততই রক্তের সংকট কেটে যাবে৷ আর বিশেষ ধরনের রোগীদের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে৷”

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •