কুমিল্লায় পূজা মণ্ডপে কুরআন অবমাননা করায় চুয়াডাঙ্গা জেলা উলামা পরিষদের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ

31

কুমিল্লার নানুয়াদিঘীর পাড়ে পূজা মণ্ডপে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অবমাননা করায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) বাদ আসর চুয়াডাঙ্গার বড় বাজার শহীদ হাসান চত্ত্বরে এটি অনুষ্ঠিত হয়।এ প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা উলামা পরিষদ এর সভাপতি মুফতি জুনাইদ আল-হাবীবী এবং সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ হাফিজুর রহমান। সভাপতির বক্তব্যে মুফতি জুনাইদ আল-হাবীবী বলেন অত্যন্ত দুঃখ এবং পরিতাপের সাথে বলতে হচ্ছে যে নানুয়া দীঘির পাড় কোরআন অবমাননা করা হয়েছে, আমরা জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি। যে দেশের ৮৯ ভাগ মুসলমান যদি আল্লাহর কুরআন পদদলিত হয় এবং পায়ে রাখা হয় তাহলে আমাদের বেঁচে থেকে লাভ কি? আজকে যারা পবিত্র কুরআনকে মূর্তির পায়ে রেখে অবমাননা করেছে তারা শুধু আমার বাংলাদেশের 18 কোটি মানুষের হৃদয়ে আঘাত করে নাই বরং বিশ্বের 200 কোটি মুসলমানের হৃদয়ে আঘাত করেছে, আমার বিশ্বাস এটা কোন মুসলমান করতে পারেনা শান্ত বাংলাদেশকে অশান্ত করে তোলার জন্য স্থিতিশীল পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য কিছু উগ্রবাদী হিন্দুরাই কাজ করেছে, আমরা জেলা উলামা পরিষদের পক্ষ থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি যারা এই ন্যাক্কারজনক এবং এই ধৃষ্টতাপূর্ণ কাজ করেছে তাদেরকে গ্রেফতারপূর্বক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তিনি আরও বলেন এ ধরনের ঘৃন্য এবং জঘন্যতম কাজের মাধ্যমে যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চায় এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে চায় তারা মুসলমান হোক বা হিন্দু হোক বা যে ধর্মেরই হোক না কেন সরকারকে বলব কঠোর হস্তে দমন করার জন্য, তাদের যেনো কোন ছাড় দেওয়া না হয়।সাধারণ সম্পাদক মুফতি মুস্তাফা কামাল কাসেমী বলেন কে বা কারা এই ধৃষ্টতা দেখিয়েছে সেটা আমরা দেখতে চাই না, আমরা চাই যে বা যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে দ্রুত তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দেয়া হোক। তিনি আরও বলেন এদেশে প্রধান মন্ত্রীর নামে কটুক্তি করলে শাস্তি দেয়া হয়, নেতা মন্ত্রীদের নামে কিছু বললে বিচারের আওতায় আনা হয় কিন্তু এদেশের ৮৯ ভাগ মুসলমানের হৃদয়ের স্পন্দন মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অবমাননা করলে কোনো শাস্তি হয় না, ইসলাম অবমাননা করলে শাস্তি হয় না , আমারা সংবিধানে কুরআন ও ইসলাম অবমাননার আইন পাশ করার জোর দাবী জানাচ্ছি। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অর্থ সম্পাদক মাওঃ আব্দুস সামাদ, দামুড়হুদা উপজেলা উলামা পরিষদ এর সভাপতি মুফতী রুহুল আমীন, থানা মসজিদের ইমাম মাও ইয়াকুব নোমানী প্রমূখ
এরপর সভাপতি মুফতি জুনাইদ আল-হাবীবী এর দো’আর মাধ্যমে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল শেষ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •