শিক্ষার তরে বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল ইসলামের ছুটে চলা

এস.এম.দেলোয়ার হোসাইন, মাদারীপুরঃ

মাদারীপুরের কালকিনির প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে কোমলাপুর এতিমখানা এবং ইসলামী কমপ্লেক্স ও বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল ইসলাম নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামে একই সঙ্গে দুটি প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান।ব্যতিক্রমীভাবে শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন স্কুলের শিক্ষকগণ।জানা যায়, উপজেলার ডাসার এলাকার কোমলাপুর গ্রামের আমেরিকা প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল ইসলাম এর নিজ অর্থায়নে এলাকার মানুষের স্বার্থে তার নিজ গ্রামের দর্শণা বাজার সংলগ্ন একই সঙ্গে দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেন। বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল ইসলাম নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার কার্যক্রম শুরু হয় ২০২১ সালে। বর্তমানে ৬ষ্ঠ,সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণীতে ১৫০ জনশিক্ষার্থী, ৬ জন শিক্ষক ও ২জন কর্মচারী নিয়ে শিক্ষার কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি রয়েছে কোমলাপুর এতিমখানা এবং ইসলামী কমপ্লেক্স ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।স্কুলের শিক্ষকগণ এলাকার অসহায়, গরীব ও শ্রমজীবী পরিবারের শিশুদের স্কুলে ভর্তি করিয়ে ভর্তি ফি, স্কুল ড্রেস, বই পুস্তুক, থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে শিক্ষার কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। এছাড়া মসজিদ,বিধবা ভাতা,বয়স্ক ভাতাপ্রদানসহ এলাকার অবহেলিত ও বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

তবে বর্তমানে পুর্ব শত্রুতার জেরে ডাসার ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজের নেতৃত্বে ওই এলাকার কাওসার কাজীসহ বেশ কয়েকজন মিলে বেশ কিছু দিন ধরে এ দুটি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের জমি জোরপুর্বকভাবে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। তাদের এ দখল চেষ্টার ঘটনার বাঁধা দিলে স্কুল ও ইতিমখানা ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচারনসহ হুমকি প্রদান করে আসছে ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজ এমন অভিযোগ করে শিক্ষার কার্যক্রম যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সেজন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসি ও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান দুটির শিক্ষকবৃন্দরা।

এ বিষয় জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজ সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলার ডাসার থানার ওসি মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন, আমরা জেনেছি ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ কাজী নিজেই অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের চেষ্টা করতেছে। এবং কি এতিম ছাত্রদের হুমকি দিতেছে। ব্যবস্থা নেয়া হবে।