ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে চোরের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ব্যবসায়ীরা

চরভদ্রাসন উপজেলা প্রতিনিধি:ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলায় সদর বাজারের ব্যবসায়ীরা চোরের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। বর্তমানে করোনার কারনে লকডাউন দেওয়ার পর সদর বাজারের ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান বন্ধ রাখছে। কিন্তুু দোকান বন্ধ রাখলেও ব্যবসায়ীরা দোকানের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। প্রশাসন লকডাউন কার্যকর করেছে ঠিকই কিন্তুু দোকানের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে নি।লকডাউন দোকান বন্ধ থাকায় একপ্রকার পুরো বাজার জনমানবশূন্য হয়ে পরে।থাকে না কোন পাহারাদার। এই সুযোগে অনেক ব্যবসায়ী আশঙ্কা করছে চোরের উপদ্রব বাড়তে বাড়ে।বেশ কিছুদিন আগে বাজারে এত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্বেও বাজারের ভিতরে ৩ টি দোকানে চুরি হয়।আর বর্তমানে লকডাউনে এমনি সারাবাজারের দোকান বন্ধ থাকে। রাত ১০ টার পর পাহারাদাররা ডিউটিতে আসে।সন্ধ্যা থেকে রাত ১০ টা পুর্যন্ত বাজারে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।প্রশাসন যদি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেন বাজার ব্যবসায়ীরা।সন্ধ্যার পর সরেজমিনে দেখা যায় বাজার মসজিদ সামনে ২টি ওষুধের দোকান ছারা সব দোকান বন্ধ। কাপড় মার্কেটের দিকে গেলে জনমানবশূন্য দেখি।একটু ভিতরে ডুকলে দেখা যায় কয়েকটি দোকান সার্টার নামিয়ে ভিতরে বসে আছে।এভাবে সার্টার নামিয়ে ভিতরে বসে থাকার কারন জিজ্ঞেস করলে নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন,বাজারে ১০ টার আগে কোন পাহারাদার ডিউটি করে না।এসময় মার্কেট সম্পূর্ণ ফাকা থাকে।যেকোনো সময় চুরির ঘটনা ঘটে যেতে পারে।তাই সন্ধ্যার পর দোকানে এসে বসে থাকি।
নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক আরেক ব্যাবসায়ী বলেন, কয়েকদিন আগে বাজারে সিসি ক্যামেরা ও পাহারাদার থাকা সত্বেও বাজারের ভিতরের দোকানের চুরির ঘটনা ঘটলো। আর এখন লকডাউন মানুষ থাকেনা বাজারে আর রাত ১০টার আগে পাহাড়াদাররা ডিউটি করে না। এসময় আমার দোকানের নিরাপত্তা কে দিবে? দোকানে চুরি হইলে ক্ষতি হবে আমার। ক্ষতির টাকাতো কেও আমাকে দিবে না। তাই দোকানে এসে বসে থাকি পাহারাদার আসা আগ পুর্যন্ত।আর প্রশাসন যদি নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে তাহলে এভাবে আমাদের দোকানে এসে বসে থাকতে হবে না।আমরা নিশ্চিন্তে বাসায় থাকতে পারবো।
সরেজমিনে কয়েকজন দোকানদারের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম তাদের বড় আশঙ্কা হলো চোরের উপদ্রব।ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের কাছে এই লকডাউনে তাদের দোকান-ঘরের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এই আশা পোষণ করেন।