বিআরটিএ নতুন ভোগান্তির আরেক নাম ফিঙ্গার প্রিন্ট।

4

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বিআরটিএ স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স ভোগান্তির সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে ফিঙ্গার প্রিন্ট ও ছবি তোলার বিড়ম্বনা। মিরপুর, উত্তরা, ইকুরিয়া ও সাভার অঞ্চলের গ্রাহকদের শুধুমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে সময় লাগছে দুই দিন পর্যন্ত। বিআরটিএ বলছে, গ্রাহক বিড়ম্বনা কাটাতে নির্দিষ্ট কার্যালয়েই দেয়া হবে সেবা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কাগজপত্র সব ঠিক থাকলেও ২০০০-৫০০০ টাকার বিনিময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হয়।নোয়াখালী থেকে আসা রফিকুল ইসলাম জানান আমি আমার কাগজ পত্র বিআরটিএ জমা দেওয়ার পর।আমাকে অস্থায়ী একটি পত্র দেয়া হয় এবং ঐ সিলিপে ডেইট দেওয়া থাকে। তারিখ মত যাওয়ার পরও আমাকে বলে এই কাগজ নাই ঐ কাগজ নাই এই বলে আমাকে একপর্যায়ে হয়রানির শিকার হতে হয়। পরবর্তীতে ২০০০ টাকার বিনিময়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েছি।

শুধু রফিক নয় রফিকের মত আরও শত শত লোক এভাবে হয়রানির শিকার হয়েছে। এ বিষয়ে একাধিক লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরেও কোনো সমাধান হয়নি এখনো পর্যন্ত।

লিটন নামের এক ব্যক্তির অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জ থেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে আসেন পল্লবীতে।অনেক কষ্টের পর টোকেন পেয়েছি। মনে হলো আমি মনে হয় ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে পারবো, কিন্তুু ২ ঘন্টা অপেক্ষার পরে বলে আপনার পাইলে সার্টিফিকেট নাই, প্রশ্ন কি করবো ৩০০০ হাজার টাকা লাগবে, কেন? এত কথা বলা যাবেনা। আপনি আসতে পারেন। অনেক কষ্ট করে বাড়ি থেকে বিকাশে টাকা নিয়ে আসি ফিঙ্গার দিয়ে আসলাম। এই ভাবে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে।

এই সব অনিয়ম ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চোখে পড়ে না। বড় বড় অফিসারা কি করে? আরেটি প্রশ্ন, আমি টাকা দিয়েছি বিআরটিএ কে, আমি ফিঙ্গার দিবো বিআরটিএ অফিস ইকুরিয়া, কিন্তু আমাকে পাঠানো হয়েছে মিরপুর পল্লবিতে। আমার যাত্রায়তের খরছ দিবে কে? সরকার না বিআরটিএ।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •