নোয়াখালী সুবর্ণচরে শ্বশুর বাড়ীতে জামাইকে পিটিয়ে আহত

0

বেলায়েত হোসেন বেলাল কোম্পানীগঞ্জ নোয়াখালী ঃ

নোয়াখালী সুবর্ণচরে স্ত্রীর পরকিয়ায় বাঁধা দেয়ায় স্বামীকে বেধড়ক মারধর করেছে স্ত্রী, শ্যালকসহ শ্বশুর বাড়ীর লোকজন ঘটনায় আহত রাসেল (২৩) উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের চর লক্ষী গ্রামের মোঃ ইয়াছিনের পুত্র।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই ) সুবর্ণচর উপজেলার ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর নোমান গ্রামে। আহত রাসেল(২৩) বর্তমানে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধিন আছেন। এ ঘটনায় আহত রাসেলের বাবা বাদী হয়ে একটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।

আহত ও ভুক্তভোগি রাসেল বলেন, ৩ বছর আগে চর নোমান গ্রামের মিরাজ হোসেনের মেয়ে শারমিন আক্তার(১৮) কে বিয়ে করেন বিয়ের কিছুদিন ভালো গেলেও রাসেল কর্মস্থলে থাকার কারনে শারমিন অজ্ঞাত লোকের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে, রাসেল বিষয়টি জানতে পারলে শুরু হয় পারিবারিক কলহ।

ঈদুল আযহার সময় রাসেলের বাড়ী থেকে পালিয়ে যায় শারমিন। বুধবার রাতে রাসেল শ্বশুর বাড়ীতে গেলে পূনরায় পরকিয়ায় সম্পর্কের বিষয়ে সতর্ক করতে গেলে শারমিন ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। সকাল বেলা রাসেল শ্বশুর বাড়ী থেকে বের হয়ে নিজ বাড়ীতে যাওয়ার পথে মিরাজের পুত্র আরাফাত(২৮) স্ত্রী শারমিন, শ্বশুড়ী বিপুলী খাতুন(৪৫)সহ অজ্ঞাত ৩/৪ জন রাসেলকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে পরে স্থানীয়রা রাসেলকে উদ্ধার করে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

ভুক্তভোগী রাসেলের বাবা ইয়াছিন জানান, বিয়ের পর থেকে শারমিন কিছুদিন পর পর বাড়ী থেকে চুরি করে চলে যায় আবার আমরা তাকে নিয়ে আসি এ নিয়ে তাদের কলহ চলে আসছে, ছেলের কাছ থেকে শুনেছি শারমিন পরকিয়ায় লিপ্ত থাকার কারনে প্রতিবাদ করায় তাকে মারধর করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সবুজসহ এলাকাবাসী জানান, রাসেলের শ্যালক আরাফাতসহ তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন রাসেলকে মারধর করে আহত করে পরে আমরা তাকে হাসপাতাল ভর্তি করি।

অভিযুক্ত শারমিনের বাবা রাসেলের শ্বশুর মোঃ মিরাজ মুঠোফোনে বলেন, আমি বাড়ীতে নেই রাসেল আমার মেয়েকে মারধর করে এতে আমার ছেলে আরাফাত ক্ষিপ্ত হয়ে রাসেলেকে মারধর করে বলে ফোনে আমাকে জানায়। চরজব্বার থানার এসআই উৎপল বলেন, রাসেলের খালাতো ভাই সবুজ আমাকে বিষয়টি জানিয়েছে আমি চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •